দ. সুনামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সম্মেলন আগামীকাল পদ প্রত্যাশীদের দৌঁড় ঝাঁপ

ইয়াকুব শাহরিয়ার, পাগলাবাজার
দীর্ঘদিন ধরে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে ঢিমেতালে কার্যক্রম চলছিল দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের। নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, ৪ থেকে ৫ বছর ধরে যুবদলের কমিটি ছিলো না এ উপজেলায়। দীর্ঘদিনের কমিটিহীনতা কাটিয়ে আগামীকাল হতে চলেছে উপজেলা যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন। এ সম্মেলনকে ঘিরে যেমন আগ্রহের কমতি নেই যুবদল নেতাকর্মীদের তেমনি ঘরে বসে নেই পদ প্রত্যাশীরাও।
তারা ইতোমধ্যে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন সংশিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে। কেউ কেউ আবার স্যোসাল মিডিয়ায় তাদের নেতার ছবি সম্বলিত পোস্টার পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এবং নেতাকে কোন পদে দেখতে চান সেটাও প্রকাশ করছেন। বিভিন্ন জায়গায় তাদের সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীদের নিয়ে আনুষ্ঠানিক, অনানুষ্ঠানিকভাবে সভা সেমিনার করে বেড়াচ্ছেন। কেউ বা আবার সকল ব্যস্ততা রেখে নেতার হিতপ্রত্যয়ী হয়ে দলীয় সকল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন। বৈঠক করছেন তাদের নেতা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনছার উদ্দিনের সাথে।
সভাপতি পদে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. সোহেল মিয়া ছাড়া আর কারো নাম শোনা না গেলেও সাধারণ স¤পাদক ও সাংগঠনিক স¤পাদক পদে একাধিক পদ প্রত্যাশীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে আনছার উদ্দিন বলছেন তার কাছে কেউ কোনো পদ প্রত্যাশী হন নি। কাউন্সিলের মাধ্যমে পদ বন্টন হবে বলে জানান তিনি।
সাধারণ স¤পাদক পদে সম্ভাব্য  যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হচ্ছেন বর্তমান যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল পারভেজ সাজন, জিয়াউর রহমান, ফরিদ আহমদ, সাংগঠনিক স¤পাদক পদেও শুনা যাচ্ছে চারজনের নাম। তারা হলেন আবদুর রশিদ, মুহিবুর রহমান মানিক, মনোয়ার হোসেন মিন্টু। এছাড়াও আরো বিভিন্ন পদে প্রার্থী থাকলেও তেমন তোরজোর দেখা যায় নি তাদের।
তবে আপাতত সভাপতি পদে সোহেল মিয়া ছাড়া আর কোনা প্রার্থী না থাকায় তার সভাপতি হওয়াটা প্রায় নিশ্চিত হলেও প্রকাশ করছেন না কেউই। সবাই দেখতে চাচ্ছেন অন্যান্য পদে আসছেন কারা ?
এব্যাপারে সভাপতি পদপ্রার্থী উপজেলা যুবদলের বর্তমান আহ্বায়ক মো. সোহেল মিয়া বলেন, ‘এখনো আমার প্রতিদ্বন্দ¦ী অন্য কোনো প্রার্থীর নাম শুনি নি। তবে আমার অজানা কেউ থাকলে থাকতে পারেন।’ যে কেউ প্রার্থী হওয়ার অধিকার রাখে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি আমার উপর ন্যায় বিচার করা হবে। আমি অনেকভাবে নির্যাতিত। আমার উপর এখনো মামলা ঝুলছে। আমি আশাবাদী আমিই সভাপতি হবো।’
জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনছার উদ্দিন বলেন,‘আমি রাজপথে সক্রিয় নেতাদের সব সময় মূল্যায়ন করে আসছি। এবারও তার ব্যত্যয় ঘটবে না। ত্যাগীরা কমিটি গঠনে অবশ্যই তার ন্যয্য অধিকার পাবে।’ পদ পেতে তদবিরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখনো আমার কাছে কোনো পদের জন্য তদবির আসেনি। তদবির করলেও যোগ্যরা তার মূল্যায়ন অবশ্যই পাবে।’