ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশায় দরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচির ৪০ দিনের প্রকল্প বাস্তবায়নে আরো একটি ইউনিয়নে শ্রমিকের পরিবর্তে এক্সক্যাভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কাটার কাজ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ শ্রমিকের পরিবর্তে মেশিন দিয়ে মাটি কাটার কথা স্বীকার করেছেন। ফলে এ ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হবে। যদিও অভিযুক্ত চেয়ারম্যান বলেছেন তালিকাভুক্ত শ্রমিকদের দিয়েই ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হবে। এর আগে গত বুধবার মধ্যনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রবীর বিজয় তালুকদারের বিরুদ্ধে তার ইউনিয়নে কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পে শ্রমিক এর পরিবর্তে মেশিন দিয়ে মাটি কাটার খবর প্রকাশিত হয়।
জানা যায়, দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নে কর্মসৃজন কর্মসূচির আওতায় তিনটি প্রকল্পের বিপরীতে ১২লাখ ৮৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এর মধ্যে ১নং ওয়ার্ডে হাজী বাড়ি হতে কদম হাটি গ্রাম পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ৬ লাখ টাকা, ৩নং ওয়ার্ডে শরিয়তপুর গ্রামের দোকান হতে জজ মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ বাবদ ৪ লাখ টাকা, ৩নং ওয়ার্ডে ফাজিলপুর গ্রাম থেকে রহমতপুর গ্রাম পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ বাবদ ২ লাখ ৮৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত কয়েকদিন ধরে প্রকল্প গুলোতে কাজ চলছে। কিন্তু ১নং ওয়ার্ডে হাজী বাড়ি হতে কদম হাটি গ্রাম পর্যন্ত প্রকল্পে নিয়মবহির্ভূতভাবে শ্রমিকের পরিবর্তে মেশিন দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে।
সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ বলেন, ‘শ্রমিক সংকট ও সড়কটি উঁচু হওয়ার কারণে মেশিন দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। তবে শ্রমিকদের দিয়েই ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হবে।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রজেশ চন্দ্র দাস বলেন, ‘যদি এমনটি হয়ে থাকে তাহলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘কর্মসৃজন কর্মসূচিতে শ্রমিকের পরিবর্তে মেশিন দিয়ে মাটি কাটা নিয়মবহির্ভূত। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


