Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
ধর্মপাশায় আরো ৯ হাওর প্লাবিত – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

ধর্মপাশায় আরো ৯ হাওর প্লাবিত

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ধর্মপাশা উপজেলায় বিভিন্ন হাওরে প্রতিদিনই ফসল ডুবির ঘটনা ঘটছে। ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন হাওর। এ নিয়ে স্থানীয় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকটের কারণেও অনেক কৃষক জমির ফসল কাটাতে পারছেন না। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত করার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন কৃষক ও স্থানীয় জনগণ। রাত জেগে পাহাড়া দেওয়া হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো। তবুও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। প্রচন্ড পানির চাপে বাঁধগুলো ভেঙে হাওরে পানি ঢুকে তলিয়ে যাচ্ছে বোরো জমির ফসল।
গত মঙ্গলবার সকালে উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের মুগরাইন বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় উপজেলার সেলবরষ, পাইকুরাটি ও চামরদানি ইউনিয়নের নয়টি হাওরে পানি প্রবেশ করেছে। বুধবার সকাল থেকে টগা, ভোগা, ছিছড়া, শৈলচাপড়া, নয়াবিল, কাইল্যানি, রুই, ডুলিজাড় ও দমদিময়া হাওরের পানি ঢুকে ২ হাজার ১০০ হেক্টর বোরো জমির ফসল প্লাবিত হয়েছে। ওই নয়টি হাওরে মোট ৪ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ২ হাজার ২০০ হেক্টর বোরো জমির ফসল কর্তন করা হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র আরো জানায়, রোববার সকালে বংশীকু-া দক্ষিণ ইউনিয়নের সোনাডুবি বাঁধ, গত বুধবার রাতে আকস্মিক ভূমিকম্পের ফলে সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের চন্দ্র সোনার থাল হাওরের অধীনে মারাদারিয়া বাঁধে (মারাদারিয়া হাওর) ফাটল দেখা দিলে বাঁধটি ভেঙে যায়। গত বৃহস্পতিবার রাতে একই হাওরের আলনির দাইড় ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে যায়।
গত সোমবার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের সাতারিয়া-পাথারিয়া ও সকাল আটটার দিকে  গাগলাখালী বাঁধটিতে ভাঙন দেখা দেয়। পরে বাঁধ দুটি ভেঙে  হাওরের পানি ঢুকে যায়। গত মঙ্গলবার সকালে জয়শ্রী ইউনিয়নের মুগরাইন ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে বনুয়া, শালকুমড়া ও  কাইঞ্জার হাওরে পানি প্রবেশ করে।
উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের গাছতলা গ্রামের কৃষক মোমেন মিয়া জানান, স্থানীয় বাঁধের কাজে নয়ছয় হওয়ায় প্রতিবছরই ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে জমির ফসল পানিতে তলিয়ে যায়। কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট পিআইসিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণেই ফসলরক্ষা বাঁধে ঠিকমত কাজ হয় না। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাই এর জন্য দায়ী।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শোয়েব আহমেদ জানান, বুধবার এ উপজেলার আরো নয়টি হাওরে পানি প্রবেশ করেছে। এতে ওই হাওরগুলোর ২ হাজার ১০০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হওয়র আশঙ্কা করা হচ্ছে।