ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশা জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের একমাত্র খেলার মাঠ দীর্ঘদিন ধরে যানবাহন চালক এবং স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীদের দখলে রয়েছে। ফলে উপজেলার একমাত্র এ খেলার মাঠে বর্তমানে কোনো প্রকার খেলাধুলার আয়োজন করা যাচ্ছে না। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও মাঠটি রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে স্থানীয় ক্রীড়ামোদীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা যায়, বছর দুয়েক আগে জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও ১নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের সময় এই মাঠে নির্মাণ সামগ্রী রাখার ফলে মাঠটি খেলাধুলার অনুপযোগি হয়ে পড়ে। মাঠটিকে খেলাধুলার ব্যবহার উপযোগি করে তুলতে গত বছর ওই মাঠে মাটি ভরাটের জন্য সরকারি ভাবে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওই টাকায় মাঠের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে সামান্য অংশে মাটি ভরাট করা হয়। ওই মাটি ভরাটকৃত অংশে বর্তমানে গড়ে উঠেছে ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের অবৈধ স্ট্যান্ড। বিদ্যালয়ের পাশেই ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের স্ট্যান্ড গড়ে ওঠায় বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের অনেক বিড়ম্বনা পোহাতে হয়। অপরদিকে মাঠের উত্তর-পশ্চিম পাশে বড় বড় গাছের গুড়ি ফেলে মাঠটিকে দখল করে রেখেছে স্থানীয় কয়েকজন কাঠ ব্যবসায়ী। মাঠের উত্তর-পশ্চিম পাশে গাছের গুড়ি ফেলে রাখায় এবং পূর্ব-পশ্চিম পাশে ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড গড়ে ওঠায় মাঠটি আয়তনের দিক দিয়ে অনেক ছোট হয়ে পড়েছে। ফলে এ মাঠে আর কোনো খেলাধুলার আয়োজন করা যায় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, বিদ্যালয়ের পাশে যানবাহনের স্ট্যান্ড থাকায় বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার পথে গাড়ির চালকেরা মাঝে মাঝে ছাত্রীদের লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় কথা বলে। তাই
মাঠ থেকে স্ট্যান্ডটি সরানোর জন্য দাবি জানান তারা।
জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক ফুটবলার সাইফুর রহমান কাঞ্চন জানান, তিনি বিদ্যালয়ের সদস্য থাকাকালে বেশ কয়েকবার এ স্ট্যান্ড ও কাঠ ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করেছেন কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই আবার চালক ও ব্যবসায়ীদের দখলে চলে যায়।
জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক খান জানান, খুব শিগগিরই বিদ্যালয়ের মাঠটি দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- আদালতের আদেশ লংঘন করে জামালগঞ্জে চাটনী বিলে মাছ ধরার অভিযোগ
- ছ্তাকে মাতৃত্বকালীন ভাতা জটিলতায় ৬ শতাধিক নারী


