ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশা ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশনের নামে অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন চলছেই। শুধু কৌশলটা পাল্টেছে। গত শনিবার ও রবিবার চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশনের নামে ৩০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। কিন্তু সোমবার কলেজ কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করে সেই স্বর পাল্টে বাকি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতনের নামে টাকা আদায় শুরু করেছে। টাকা আদায়কারি কলেজের ডেমোনেস্ট্রটর তাপস রায় রোববার অধ্যক্ষের নির্দেশে রেজিস্ট্রেশনের নামে টাকা নিচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন। তবে তিনি সোমবার বলেন, ‘রেজিস্ট্রেশনের জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের দুই মাসের বেতন ১৫০ টাকা করে ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।’
টাকা জমা দেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী জানিয়েছে, রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৩০০ করে টাকা, এক কপি ছবি ও নম্বরপত্রের ফটোকপি
দিতে কলেজ থেকে তাদেরকে বলা হয়েছে। অনেকেই শর্ত পূরণ করে টাকাও জমা দিয়েছে। কিন্তু সোমবার যারা টাকা জমা দিয়েছে তাদেরকে বলা হয়েছে বেতন আদায় করা হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের নামে অবৈধভাবে টাকা নেওয়ার বিষয়টির সঠিক তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছে তারা।
কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল করিম দাবি করেছেন রেজিস্ট্রেশনের জন্য নয়, শিক্ষার্থীদের বেতন আদায় করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত সোমবার দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরে ‘সুযোগ পেলেই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অর্থ আদায়’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।


