স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন আরও ৬ জন। এরমধ্যে ছাতক উপজেলার ৫ ও জগন্নাথপুর উপজেলার ১ জন।
হোম কোয়ারেন্টিন থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে ৫৫ জনকে। এরমধ্যে দোয়ারাবাজার উপজেলার ৫ জন, তাহিরপুর উপজেলার ২৫ জন, ছাতক উপজেলার ৪ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৩ এবং শাল্লা উপজেলার ১৮ জন। বর্তমানে ৬১৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে ৮ জন। আইসোলেসনে আছেন ৩ জন। এরমধ্যে দোয়ারাবাজার উপজেলায় ১ জন, দিরাই উপজেলায় ১জন এবং ধর্মপাশা উপজেলায় ১ জন।
মঙ্গলবার জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
গত সোমবার রাতে সুনামগঞ্জে একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স, টিএলসিএসহ আরো ৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এরা হলেন ধর্মপাশা, দিরাই ও দোয়ারাবাজার উপজেলার।
অদ্যাবদি মোট কোয়ারেন্টিনে এসেছেন ৪৪৫৭ জন। পাশাপাশি কোয়ারেন্টিন সম্পন্ন করেছেন ৩৮৪০ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৬১৭ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানা যায়, বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে গেছেন মোট ২৫ জন এবং আইসোলেসনে গেছেন ৬৪ জন।
এখন পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ জন। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪ জন, দিরাই উপজেলায় ৭ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ৭, জন, ছাতক উপজেলায় ৫ জন, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৬ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৫, জন, শাল্লা উপজেলায় ৯ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ৩ জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৬ জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ৬ জন, তাহিরপুর উপজেলায় ৬ জন।
সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ জন। এরমধ্যে দোয়ারাবাজার উপজেলা ১ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ২ জন, শাল্লা উপজেলার ৮ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ১ জন, দিরাই উপজেলার ১ জন, ছাতক উপজেলার ১ জন। এছাড়াও ঢাকা থেকে পালিয়ে আসা বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ১ জন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের আইসোলেসন ওয়ার্ড থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
গত ১ মার্চ থেকে বিদেশ থেকে জেলায় এসেছেন ২৪৬৩ জন। ঠিকানা চিহ্নিত করা হয়েছে ২৩৫৬ জনের। এদের মধ্যে ১০৭ জনের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, করোনা চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ১০০টি বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও ২০ জন ডাক্তার ও ১৪৩ জন নার্সও রয়েছেন। ছাতক, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, জগন্নাথপুর, ধর্মপাশা, দিরাই, শাল্লা উপজেলায় ৩টি করে বেড এবং সুনামগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও আনিছা হেলথ কেয়ারে ২টি করে বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। চিকিৎসার জন্য ১৩১ টি বেড রয়েছে। এছাড়াও ৮৬ জন ডাক্তার, ২৪৭ জন নার্স প্রস্তুত রয়েছেন। আক্রান্তদের জরুরী চিকিৎসায় স্থানান্তরের প্রয়োজনে ১ টি এম্বুলেন্স প্রস্তুত রয়েছে। জরুরী বিভাগে আইসোলেশনের ব্যবস্থাও রয়েছে।


