নতুন করে কোয়ারেন্টিনে আরও ৭৭ জন, ছাড়পত্র পেলেন ৩৩ জন

স্টাফ রিপোর্টার
একদিনের ব্যবধানে হঠাৎ হোম কোয়ারেন্টিনের সংখ্যা বেড়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিনে নতুন করে রাখা হয়েছে ৭৭ জনকে। নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনে আনাদের মধ্যে বেশিরভাগ দিরাই উপজেলার। কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ৩৩ জনকে। গত ১০ মার্চ হোম কোয়ারেন্টিন থেকে সুনামগঞ্জে ৫৫৭ ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর এ পর্যন্ত মোট হোম কোয়ারেন্টিনে ১৫৬ জন। কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পাওয়া সবাই প্রবাসী, তাদের পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজন। তবে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
করোনা চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ১০০টি বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও ২০ জন ডাক্তার ও ১৪৩ জন নার্সও রয়েছেন।
এদিকে ছাতক, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, জগন্নাথপুর, ধর্মপাশা, দিরাই, শাল্লা উপজেলায় ৩টি করে বেড এবং সুনামগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও আনিছা হেলথ কেয়ারে ২টি করে বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। চিকিৎসার জন্য ১৩১ টি বেড রয়েছে। এছঅড়াও ৮৬ জন ডাক্তার, ২৪৭ জন নার্স প্রস্তুত রয়েছেন। আক্রান্তদের জরুরী চিকিৎসায় স্থানান্তরের প্রয়োজনে ৫টি এম্বুলেন্স প্রস্তুত রয়েছে। জরুরী বিভাগে আইসোলেশনের ব্যবস্থাও রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান বলেন, নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনে আনাদের মধ্যে বেশিরভাগ সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের । তাদের মধ্যে প্রবাসী নেই। বিষয়টি ভয়ের কারণ হিসেবে দেখলেও অনেকে মৌসুমী জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হওয়ায় তাদের কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে বলেন তিনি।
এছাড়া শ্রীমঙ্গলে করোনা সন্দেহে মারা যাওয়া এক নারীর সংস্পর্শে থাকা ১৪ বছরের এক শিশুকেও হাসপাতাল কোয়ারেন্টিনে আনা হয়েছে। এ পর্যন্ত সিলেট শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল আইসোলেশনে আছেন দুই নারীসহ ৩ জন এবং সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশনে আছেন একজন।