স্টাফ রিপোর্টার
গত দুই দিন বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় নদীর পানির উচ্চতা কমেছে। তবে লোকালয়ে এখনো পানি রয়েছে। একারণে জনদুর্ভোগও বাড়ছে। বন্যার পানিতে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেওয়ায় জেলা সদরের সঙ্গে জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, দোয়ারাবাজার ও শাল্লার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে।
শনিবার সকাল ৯ টায় সুনামগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার ২২ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৫ মিলিমিটার।
সুনামগঞ্জ পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জে এবং উজানের মেঘালয়েও বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু হয়েছে।
- উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ছাতক নদীবন্দর ইজারা প্রদানের দাবি
- সুনামগঞ্জের বন্যা মনিটরিং ও মানবিক সহায়তা তদারকির দায়িত্বে শামীমা হক


