জগন্নাথপুর অফিস
নদী ও খাল দখলমুক্ত করতে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি মাঠে নামছে। গত সোমবার জগন্নাথপুর উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুল আলম মাসুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ফারজানা আক্তার, উপজেলা সহকারি কমিশনার (এসিল্যান্ড) মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত প্রমুখ।
সভায় ইউএনও মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, জগন্নাথপুর সদর বাজার দিয়ে বয়ে যাওয়া নলজুর নদী দুইপাড়ে প্রায় ৫ শতাধিক স্থাপনা রয়েছে। এই নদীটি এক সময় ব্যবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এ নদী দিয়ে মালবাহী বৃহদাকারের নৌকায় কম খরচে রাজধানী ঢাকা, সিলেট, সুনামগঞ্জ, আজমিরীগঞ্জ, শিল্পনগরী ছাতকসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা থেকে সহজে মালামাল পরিবহন করা যেত। খননের অভাবে নদী ভরাট হয়ে গেলে এটি শিকার হয় ব্যাপক দখলবাজির। এখন এটা নদী না খাল চেনার উপায় নেই। এছাড়া এলাকাবাসীর অভিযোগ নলজুর নদীতে বাজার এলাকার যাবতীয় ময়লা আর্বজনা, হোটেল-রেস্তুুরার বর্জ্য ফেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। সম্প্রতি জগন্নাথপুরের ১০০ জন নদী দখলদারের নামের তালিকা স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন তৈরি করেছে। এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নিকট তালিকাটি পাঠানো হয়েছে। চলতি সপ্তাহে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জগন্নাথপুরের সৈয়দপুর বাজারের মাগুরা নদীর পাড় থেকে ২৭টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
জগন্নাথপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, নদী ও খাল দখলমুক্ত করতে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আমরা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করব।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক নবাব উদ্দিনকে নিয়ে প্রেসক্লাবের ‘লেখক-পাঠক আড্ডা’
- দিরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ২


