নিখোঁজের পর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরে হত্যা মামলায় সন্দেহজনক দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের পুরান আলাগদী গ্রামের মৃত রবি বৈদ্যের ছেলে ব্যবসায়ী প্রদীপ বৈদ্য (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত সজ্জাত মিয়ার ছেলে কৃষক তোতা মিয়া (৩৪)।
শনিবার সকালে তাদের নিজ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সুনামগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট সকালে আলাগদী গ্রামের অতুল দাসের ছেলে অমর চান দাস ঘাস কাটার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে ২০ আগস্ট শাল্লা উপজেলার প্রতাপুর গ্রামের পাশে কুশিয়ারা নদী থেকে অমর চান দাসের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে শাল্লা থানা পুলিশ। পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। ২২ আগস্ট অমর চানের স্ত্রী শেলি দাস বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় অজ্ঞাতনামা হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী শেলি দাস বলেন, আমার স্বামীকে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য পায়ে রশি দিয়ে মাটি ভর্তি বস্তা বেঁধে কুশিয়ারা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। কে বা কারা এর সাথে জড়িত আমি জানি না। তবে জায়গা জমি নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে বিরোধ রয়েছে।
জগন্নাথপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুশংকর পাল বলেন, মামলা তদন্তকালে সন্দেহজনক দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রদীপ বৈদ্যের সঙ্গে অমর চান দাসের জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে এবং তোতা মিয়াকে ঘটনাস্থলের আশপাশে সন্দেহজনকভাবে ঘুরাঘুরি করতে দেখা যায়।
তিনি বলেন, হত্যাকা-ের মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আদালতের কাছে তাদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে।