ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে অমৎস্যজীবীদের নিয়ে গঠিত শাহজালালাল মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নিবন্ধন ও ‘নিম্ম উপর গজনী’ জলমহালের (১৪২৬-১৪২৭ বাংলা) ইজারা বাতিলের দাবিতে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি আবেদন দেয়া হয়েছে। ২২ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসক ও জেলা সমবায় কর্মকর্তা বরাবরে এলাকাবাসীর পক্ষে পৃথক আবেদন দেন উপজেলা দোলারবাজার ইউনিয়নের জাহিদপুর গ্রামের কাছা মিয়ার পুত্র সুজন মিয়া।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শাহজালাল মৎস্য সমবায় সমিতি নামে অমৎস্যজীবীদের নিয়ে অবৈধভাবে গঠিত সংগঠনের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে গত বছরের ৯ ডিসেম্বর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরাবরে একটি আবেদন দেয়া হয়। বিষয়টি সরজমিনে তদন্ত করে এর সত্যতা পেয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহজালাল মৎস্য সমবায় সমিতির নিবন্ধন বাতিল ও আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ২৫ জানুয়ারি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে ওই প্রতিবেদন প্রেরণসহ শাহজালাল মৎস্য সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে অদ্যাবদি শাহজালাল মৎস্য সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি সমবায় কর্মকর্তা।
এদিকে মৎস্য সংরক্ষন আইন ও ইজারা চুক্তি লঙ্ঘন করে নিম্ম উপর গজনী জলমহাল অবৈধভাবে জলাশয় শুকিয়ে মাছ শিকার করছে সাব লিজ গ্রহণকারীরা। ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে পানির ব্যবহারসহ বোরো জমিতে সেচ ব্যবস্থা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। জলাশয় শুকিয়ে মাছ আহরণ বন্ধে এখনই না প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে ‘নিম্ম উপর গজনী জলমহালের’ আশপাশে বোরো জমি সেচের অভাবে নষ্ট হওয়ার আশংকা রয়েছে।
অপরদিকে এ ব্যাপারে বহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরেও একটি লিখিত আবেদন দেন সজন মিয়া।
এ ব্যাপারে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা জানান, শাহজালাল মৎস্য সমবায় সমিতির বর্তমান অবস্থাসহ যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত সম্বলিত একটি প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে।


