স্টাফ রিপোর্টার
ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলী আমজাদের বিরুদ্ধে অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রকল্পের ৩০ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২ মে সেলবরষ ইউনিয়নের মাটিকাটা গ্রামের হুমায়ূন কবির মিশু নামের এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট এ লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে অভিযোগগুলো রাজনৈতিক হয়রানিমূলক, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলী আমজাদ।
অভিযোগে সূত্রে জানা যায়, ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে এ ইউনিয়নে কামিয়াম থেকে নয়াপড়া পর্যন্ত রাস্তা মেরামতের ২ লাখ টাকা, মাটিকাটা জেলা রাস্তা হতে মানিক মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের ২ লাখ টাকা, মাইজবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সিরাজুলের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের ২ লাখ টাকা, উত্তরবীর রাস্তা হতে এমদাদ মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের ২ লাখ টাকা, শিংপুর পাকা রাস্তা হতে মাদারিপুর পর্যন্ত
রাস্তা নির্মাণের ২ লাখ ৮০ হাজার, মুদাহরপুর হক চানের বাড়ির সামনে থেকে গোরাট পর্যন্ত রাস্তা নির্মার্ণের ২ লাখ ৪০ হাজার, আক্তার হোসেনের বাড়ি হতে বড় সড়ক পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় পর্যায়ে বাটা মেইন রাস্তা হতে গোরস্থান শ্মশান পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের ৮৭ হাজার টাকা, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে প্রথম পর্যায়ে মাটিকাটা রাস্তা হতে ফুলুর গ্রাম পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, তফলিমের বাড়ির পুকুর পাড় হতে বীর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভায়া প্রধান রাস্তা নির্মাণের ৩ লাখ ২৮ হাজার, সলফ মসজিদ হতে পশ্চিমপাড়া রাস্তার ২ লাখ টাকা, খলাপাড়া গোরাটে মাটি ভরাট কাজের ২ লাখ টাকা, দ্বিতীয় পর্যায়ে মাটিকাটা রাস্তা হতে তালুকদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের ৪ লাখ টাকাসহ মোট ৩০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলী আমজাদ ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে নামমাত্র কাজ করে প্রকল্পগুলোর পুরো টাকা এবং ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের প্রকল্পগুলোর শতকরা ১০/২০ ভাগ করে সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলী আমজাদ বলেন,‘আমি বিএনপির রাজনীতি করি। এতবড় অনিয়ম-দুর্র্নীতি হলে সরকার কোনভাবেই ছেড়ে দিত না। অভিযোগকারীর বড় ভাই মোহাম্মদ আলী আমার সাথে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তাই আমাকে হয়রানী করার জন্য এসব মিথ্যা-ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন,‘অভিযোগটি আমার হাতে এসে পৌছেনি, রবিবার অফিস খোলার পর খোঁজ নিয়ে দেখব।’
- বিশ্বম্ভরপুরে বজ্রপাতে নিহত ১, আহত ১
- সংকটে মালয়েশিয়ার রাজনীতি ক্ষমতাসীন জোট ও বিরোধী জোটে দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠছে


