স্টাফ রিপোর্টার, তাহিরপুর
করোনা মহামারির কারণে ঘর থেকে বেরুতে পারছেন না উত্তর বড়দল ইউনিয়নের গুটিলা গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান। একদিকে পরিবারের সদস্যদের খাবার যোগানো যেমন কষ্টকর বিষয় অন্যদিকে তার দুটি শিশুর খাদ্য দুধ যোগাড় করার বিষয়টি খুবই কষ্টসাধ্য। এমতাবস্থায় শনিবার উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের আব্দুর রহমান নিরুপায় হয়ে দ্বারস্থ হন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী কে তিনি বলেন, দুটি শিশুর দুধের টাকা মিলাতে পারছি না। শিশুদের কান্নাকাটি সহ্য করতে না পেরে স্যার আপনার কাছে আসছি।’ এ সময় তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী তার কথা শুনে দুটি শিশুর জন্য দুই প্যাকেট ল্যাক্টোজেন দুধ ও এক প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আব্দুর রহমানের হাতে তুলে দেন।
তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান-উদ-দৌলা বলেন, একজন শিশুর পিতা তার পরিবারের সমস্যার কথা যখন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট বলেন, তখন আমি নিজে সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আব্দুর রহমানের কথা শুনে দুটি শিশুর জন্য নিজের পকেটের টাকায় কিনে দুই প্যাকেট লেক্টোজেন দুধ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী।
উত্তর বড়দল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন বলেন, গত দুইমাস পূর্বে বাদাঘাট বাজারে এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার একটি পুত্র সন্তান হয়। বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ী ও থানা পুলিশের অনুরোধে ওই শিশুটিকে দত্তক সন্তান হিসাবে আব্দুর রহমান গ্রহণ করে। দত্তক সন্তান সহ তার বর্তমানে দুটি সন্তান রয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী বলেন, বাদাঘাট বাজারে এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার সন্তান গত কয়েকমাস পূর্বে আব্দুর রহমান দত্তক নিয়েছে। তার সমস্যার কথা শুনে তাকে দুই প্যাকেট ল্যাক্টোজেন দুধ ও এক প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী তার হাতে তুলে দেই।


