পবিত্র নূরের পাশে শিক্ষা সুহৃদরা

স্টাফ রিপোর্টার
ধর্মপাশার প্রান্তিক কৃষকের ছেলে পবিত্র নূরের পাশে দাঁড়ালেন অনেকেই। পাশে দাঁড়িয়েছেন মধ্যনগরের বাসিন্দা সিলেট মহানগর পুলিশের মোগলাবাজার থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার। তিনি পবিত্র নূরের ভর্তির সকল খরচ বহন করবেন বলে তাকে জানিয়েছেন। সিলেটের মোগলাবাজার থানার ওসি আনোয়ার হোসেন, শাহ্পরান থানার ওসি মো. আক্তার হোসেনও তাকে আর্থিক সহায়তা দেবার আশ্বাস দিয়েছেন।
ফেইসবুক ভিত্তিক সামাজিক সংগঠন পে-ইট-ফরোয়ার্ড’র সংগঠক সিলেট কর অঞ্চলের কর কমিশনার সৈয়দ মোহাম্মদ দাউদ হোসেন পবিত্র নূরকে মাসে ২ হাজার টাকা করে দেবার আশ্বাস দিয়েছেন।
ঢাকার উৎস্য ইনস্টিটিউট অব সনোগ্রাফি’র ডিরেক্টর শাহেদুল ইসলাম কয়সর পবিত্র নূরকে ১৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা     
 দেবেন বলে দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের সম্পাদক ও প্রকাশককে ফোন দিয়ে জানিয়েছেন।
সুনামগঞ্জ বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ডা. নুরুল ইসলাম একইভাবে পবিত্র নূরকে মেডিকেলের সকল বই কিনে দেবার আশ্বাস দিয়েছেন।
সুনামগঞ্জ মেডিকেল স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ডা. সৈকত দাস জানিয়েছেন, সংগঠনের সদস্য করা হবে পবিত্রকে। একই সঙ্গে আর্থিক সংকটের কারণে যাতে তাঁর পড়াশুনায় কোন বাধা না হয় সেই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত. পবিত্র নূরের বাড়ি ধর্মপাশা উপজেলার নওধার গ্রামে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে (মেধাক্রম ৭২৫)  তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে  ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। বাবার ৩ একর জমির সবটুকুই গেল বছরের ফসল মৌসুমে পানিতে ডুবে যাওয়ায় কিছু জমি বন্ধক দিয়ে বাবা বাচ্চু তালুকদার ও মা শাহানারা আক্তার গত এপ্রিল মাস থেকে সংসার চালাচ্ছেন। জমি বন্ধকের টাকা থেকেই মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবার খরচ চালিয়েছে পবিত্র নূর। সোমবার পবিত্র নূরের শিক্ষা সংগ্রামের কথা ছাপা হয়েছিল দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের প্রথম পাতায়। একই সঙ্গে দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের ওয়েভ পেইজ িি.িংঁহধসমধহলবৎশযড়নড়ৎ.পড়স’এ প্রকাশ পায়। এই সংবাদ প্রকাশ হবার পর অনেকেই পবিত্র নূরকে সহযোগিতার হাত বাড়ান।