পরিত্যক্ত ভবন ধ্বসে প্রাণহানির আশঙ্কা

শহীদনূর আহমেদ
এক যুগের বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের গুদাম ঘরটি। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন লিখা একটি সাইন বোর্ড দীর্ঘদিন ধরে টানানো থাকলেও এই গুদামটি অপসারণের উদ্যোগ নিচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরিত্যক্ত এই গুদাম ধসে প্রানহানি ঘটনা ঘটতে পারে যে কোন সময়। তবে উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি পেলে গুদামটি অপসারণের দায়িত্ব নিতে পারবে বলে জানিয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন নির্মিত হওয়ায় পুরাতন ভবন থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম সরিয়ে নেয়া হয়েছে অনেক আগে। পুরাতন ভবনের বিপরীত দিকে মহাসিং নদীর পাড়ে অবস্থিত পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের গুদাম ঘর।  নদী ভাঙ্গনের কবলে ইতোমধ্যে গুদাম ঘরের অর্ধেকাংশ বিলীন হয়ে গেছে । গুদাম ঘরের গা ঘেঁষে নির্মিত হয়েছিল খেয়া ঘাট। এই খেয়া ঘাট দিয়ে প্রতিনিয়ত নদী পাড়াপাড় করছেন ইউনিয়নের সলফ, ধরমপুর গ্রামের শত শত মানুষ। ঘাটলার উপর পরিত্যক্ত গুদামঘরের  দেয়ালের উপর হেলান দিয়ে  খেয়ার জন্যে বসে অপেক্ষায় থাকতে  দেখা যায় অনেককেই।
সলফ গ্রামের  বাসিন্দা রুপেশ দাস, রেজাউল হক, রুহল মিয়াসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, আমরা খেয়া পাড়াপাড়ের সময় আতঙ্কে      থাকি।  কখন যে কার উপর গুদাম ঘরের দেয়াল ধসে পরে বলা যায় না।  জরুরী ভিত্তিতে এই গুদাম না ভাঙ্গলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. নূর কালাম বলেন, গুদামটি অনেক পুরনো। কার্যকারিতাও নষ্ট হয়ে গেছে।  যে কোন সময় এই গুদাম ধসে পড়তে পারে। তাই গুদামের কাছে না যাওয়ার জন্যে আমারা মানুষকে সচেতন করছি। উপজেলা প্রশাসন যদি অনুমতি দেন তাহলে আমরা গুদাম ভাঙ্গার দায়িত্ব নিতে পারি।