Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
পর্যটনে সুদিন- খুশি হোটেল মালিক, ব্যবসায়ী ও মাঝিরা – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

পর্যটনে সুদিন- খুশি হোটেল মালিক, ব্যবসায়ী ও মাঝিরা

স্টাফ রিপোর্টার
এতোদিন লকডাউন ছিলো। কোনো পর্যটক আসতে পারে নাই। এখন লকডাউন খোলার পর অনেকে আসতেছে। অন্য সিজনের থাইকা এই সিজনে বেশি পর্যটক আসতেছে। কথাগুলো বলছিলেন তাহিরপুরের মোহনা পরিবহন নৌকার মাঝি মো. আলম মিয়া।
আলম বললেন, আমাদের নৌকায় বাবুর্চিসহ ৪ জন লোক রয়েছে। তারা সবাই এই নৌকার আয়ের উপর নির্ভরশীল। এতোদিন লকডাউনে পর্যটক না আসায় আমাদের আয় রোজগার ছিলো না। ধার করে সংসার চালিয়েছি। এখন সবকিছু খুলে দেয়ায় স্বস্তি ফিরেছে আমাদের মাঝে। পরিবার নিয়ে ভালো ভাবেই বেঁচে থাকতে পারবো।
দীর্ঘ দুই মাস আটদিন পর খুলে দেওয়া হয়েছে সুনামগঞ্জের সব পর্যটনকেন্দ্র। বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত টাঙ্গুয়ার হাওর, শহীদ সিরাজ লেক, টেকেরঘাট, বড়গোপটিলা ও শিমুলবাগান এলাকায় সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ছুটছেন পর্যটকরা। এতে এসব এলাকায় ফিরেছে প্রাণ প্রাণচাঞ্চল্যতা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পর্যটন খাতকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে উঠেছে। এর বেশিরভাগ নৌকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। একটি নৌকার সঙ্গে আরও ৪ থেকে ৬ জন কাজ করতে পারেন। এছাড়াও পর্যটক নির্ভর হোটেলও বন্ধ ছিলো। এতোদিন লকডাউনের পর্যটকদের বিধিনিষেধ থাকায় কোনো পর্যটক আসেনি। যারা আসতে চেয়েছে তাদের পড়তে হয়েছে জরিমানায়। এতে মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়েছে পর্যটন খাত নির্ভর সংশ্লিষ্টদের।
আলম আরও জানায়, শুক্রবার ও শনিবার পর্যটক বেশি আসে। সব মিলিয়ে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ টি টিপ দেয়া যায়। এতে সপ্তাহে আমাদের ৫- ৬ হাজার টাকা করে রোজগার হয়।
মুক্তা মণি পরিবহনের মালিক পরাণ আখঞ্জি জানান, তিনিসহ তার নৌকায় ৪ জন কাজ করেন। এতোদিন লকডাউনে কারো তেমন আয় রোজগার ছিলো না। এসময় ধারকর্য ও নিজের জমানো কিছু সঞ্চয় খরচা করে সংসার চালিয়েছেন। নৌকার বাকি ৩ জন অন্য এলাকায় গিয়ে কাজ করেছে। এখন সবকিছু খুলে দেয়ায় প্রাণ ফিরেছে তাদের মাঝে।
শহীদ সিরাজ লেক এলাকার টং দোকানী মো. শাকিল মিয়া জানান, শহীদ সিরাজ লেক এলাকায় টং দোকানের আয় দিয়েই তার পরিবার চলে। লকডাউনে পর্যটক না আসায় অনেকদিন বন্ধ রেখেছে তার দোকানটি। এখন লকডাউন শিথিল করায় আবারও পর্যটক আসতে শুরু করেছে। এখন তার দোকানে বেচাকেনা খুব ভালো হচ্ছে।
মোটর সাইকেল চালক মো. আবু হানিফ বললেন, আগে কোনো যাত্রী পেতাম না। মোটর সাইকেল চালক যে পরিমাণে বেড়েছে সে তুলনায় যাত্রী বাড়েনি। তবে তাহিরপুর পর্যটক এলাকা হওয়ায় অনেক মানুষ ঘুরতে আসে। গেল কয়েকদিনে লকডাউনে কোনো পর্যটক আসেনি। ফলে আমাদের রোজগারও বন্ধ ছিলো। এখন সবকিছু সচল হওয়ায় আমরা যাত্রী পাচ্ছি।
তাহিরপুরের টাঙ্গুয়া রেস্টুরেন্টের মালিক মো. কাইয়ূম বললেন, ৫ দিন হলো হোটেল খুলেছি। এতোদিন বন্ধ ছিলো। এখন লকডাউন খুলে দেয়ায় পর্যটকরা আবারও আসতে শুরু করেছে। আমার ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।