স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের আদালত পাড়ায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মামলার বাদী খোকন মিয়া (৪৫) নামের যুবক নিহতের ঘটনায় পলাতক দুই আসামীকে দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ আদালতের প্রধান ফটকে মানববন্ধন করেন নিহতের স্বজন ও তার এলাকার লোকজন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত খোকন মিয়ার বড় ভাই দিলোয়ার হোসেন, ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন, জাহিদ হোসেন শিপন ও খালাতো ভাই সৌরভ সোহেল। মানববন্ধনে বক্তারা নিহত খোকন মিয়ার খুনের ঘটনায় পলাতক আসামী ইসরাইল মিয়া ও শাহান মিয়াকে দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের মামলার জের ধরে গত ২১ জুলাই সুনামগঞ্জের আদালত চত্বরে গ্রামের প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে খুন হন জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের গলাখাল গ্রামের ফটিক মিয়ার ছেলে খোকন মিয়া। বিষয়টি দেখে উপস্থিত লোকজন, আইনজীবী ও তাদের সহকারীরা এগিয়ে গিয়ে খুনের ঘটনায় জড়িত গলাখাল গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে ফয়েজ আহমদ (৩০), আফরোজ মিয়ার ছেলে সাজিদ মিয়া (৩৫) ও সেবুল মিয়া (২৫) কে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পালিয়ে যায় খুনের ঘটনায় জড়িত একই গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে শাহান মিয়া (২৪), লাল মিয়ার ছেলে মো. ইসরাইল মিয়া (৩৫)। ওই দিন রাতেই আটককৃত ফয়েজ আহমদ, সাজিদ মিয়া ও সেবুল মিয়া ও পলাতক থাকা শাহান মিয়া ও ইসরাইল মিয়াকে আসামী করে সদর থানায় মামলা দায়ের করে নিহতের পিতা ফটিক মিয়া।
এদিকে আটককৃত প্রধান আসামী ফয়েজ আহমদ ঘটনার পরদিন ২২ জুলাই শুক্রবার বিকালে সুনামগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হেলাল উদ্দিনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত মামলার পলাতক দুই আসামী শাহান মিয়া ও ইসরাইল মিয়াকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। তবে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, খোকন মিয়া হত্যাকা-ের ঘটনায় পলাতক থাকা দুই আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
- ছুটি নেওয়াই যেন শিক্ষক কবিতার কাজ
- সুনামগঞ্জে গণশুমারি ও গৃহগণনা/ তথ্যের সঠিকতা ও গণনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া


