স্টাফ রিপোর্টার
গত শুক্রবার থেকে ৫ দিন যাবত থেমে থেমে ভারী বর্ষণ হওয়ায় সুনামগঞ্জের নদ—নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থানের একাধিক হাওরে ঢুকেছে বৃষ্টির পানি। এই আতঙ্কে বিভিন্ন স্থানের হাওর—বিলের জমিতে আধা—পাকা ধান কাটতে শুরু করেছেন কৃষকেরা।
মঙ্গলবার সকাল থেকে সদর উপজেলার ‘মরাগাঙ’ নামক বিলে একাধিক কৃষক মিলে আধা—পাকা ধান কাটতে শুরু করেছেন। এই বিলের ২৮—ধান আরও একদিন ভারী বৃষ্টি হলেই ডুবে যাবে, এমন আশঙ্কা তাদের। এতে কৃষকেরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বেন। এই কারণে ধানের রঙ একটু পাকা ও লালচে হতে না হতেই কাঁচা ও সবুজ ধানের গুছায় কাটতে শুরু করেন কৃষকেরা। নদীর উত্তরপাড়ের সিলুয়া বিলে কৃষক এনাম আহমদও আধা—পাকা ধান কাটতে শুরু করেছেন।
মাইজবাড়ি গ্রামের কৃষক আব্দুল মনাফ বলেন, লম্বা খরার পর পাইলাম বৃষ্টি। এখন অইগিছে জমিনে আটুইমা পানি। জলাবদ্ধাতায় জমির ধান তলাইযার। ইতার লাগি ধান কাটা লাগাইছি।
কৃষক শাহাব উদ্দিন বলেন, আধা—পাকা ধান কাটা ছাড়া উপায় নেই। জমিতে পানি হাঁটু পর্যন্ত। যতদিন যাবে আরও পানি বাড়বে। পরে ধানও কাটা যাইবে না।
মইনপুর গ্রামের কৃষক আবুবকর বলেন, খরায় ধানের মধ্যে চিটা হয়েছে। এখন পানির ঠেলা। এবার দুর্যোগ কাটিয়ে উঠা বড় দায়।
মঙ্গলকাটা এলাকার কৃষক চাঁন মিয়া বলেন, ধান গাছের গোছা তেমন বড় হয়নি এবার। খরায় চিটার পরিমাণ অনেকটা বাড়ছে। এভাবে দিনের অবস্থা থাকলে মানুষ আধা—পাকা ধানই কাটতে হবে।
ইব্রাহীমপুর গ্রামের কৃষক জমশেদ আলী বলেন, এবার জমিতে ধান আসার আগেই খরা ও পানি এসেছে। ভাল ফসলের আশা নেই।
ধারারগাঁও গ্রামের কৃষক সুমন মিয়া বলেন, দিন যদি ভাল না হয়, তবে পানি নামবে না। বরং পানি বাড়বে। যেভাবে ফসলরক্ষা বাঁধে দুনীর্তি হয়েছে, এবার ফসল পাওয়া দায়।
- হিলিপের দুর্নীতি, ৭ বছর আগের আত্মসাৎ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কি?
- শান্তিগঞ্জে বিভিন্ন বাঁধে ধস ও ফাটল


