পাবেলকে অর্থ সহায়তা দিলেন পুলিশ সুপার

স্টাফ রিপোর্টার
শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নারকিলা চোরাবস্তির উচ্চ শিক্ষিত এবং প্রথম এসএসসি পাশ করা দিরাই ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র পাবেল মিয়াকে কলেজে ভর্তি ও লেখাপড়া চালিয়ে যেতে অর্থ সহায়তা করেছেন পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ।
রবিবার দুপুরে পাবেল মিয়া ও তার মা আমিনা বেগম পুলিশ সুপারের অফিসে এসে দেখা করলে তিনি পাবেল ও তার মায়ের হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন এবং নিয়মিত লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের সময় পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ আরো বলেন,‘নিয়মিত কলেজে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পাবেল মিয়াকে আমরা সাধ্যমত সহযোগিতা করে যাব। আমরা চাই পাবেল উচ্চ  শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজের পরিবার ও গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করুক। নিজে প্রতিষ্ঠিত হোক ও তার গ্রামে যেন সে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়।’
উল্লেখ্য, দরিদ্র পরিবারের সন্তান মেধাবী পাবেল মিয়া নিজ উপজেলার সরষপুর গ্রামের শ্যামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৩.২৮ পেয়ে পাশ করেছে।  এনিয়ে গত ১২ মে দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরে ‘ চোরা বস্তি থেকে প্রথম এসএসসি পাশ করল পাবেল, তার উচ্চ শিক্ষা স্বপ্ন কি থেমে যাবে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার এগিয়ে আসেন পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ। তিনি তাকে সাধ্যমত সহযোগিতা করার ঘোষণা দেন। এর আগে ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারী পাবেলের শিক্ষা জীবন নিয়ে দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরে সংবাদ প্রকাশিত হয় ‘পড়তে চায় নারকিলার পাবেল’। সংবাদ প্রকাশের পর অনেকেই পাবেলকে অর্থ সহায়তা করতে এগিয়ে আসেন। সে দিরাই ডিগ্রি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে। তবে পাবেল মিয়ার মা-বাবার দাবি তার পরিবারের কেউ নিন্দনীয় অসৎ পেশার সাথে জড়িত নয়। পাবেল মিয়ার মা আমিনা বেগম তার ছেলের লেখাপড়া চালিয়ে যেতে সমাজের শিক্ষানুরাগীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।