পিলার ভেঙে সড়কের মাঝে বেরিয়ে এসেছে রড, দুর্ঘটনার আশঙ্ক

স্টাফ রিপোর্টার
পৌর শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের প্রবেশমুখের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিলো দুটি পিলার। বড় বড় ট্রাক, গাড়ি আটকানোর উদ্দেশ্যে স্থাপিত পিলার জোড়া আর নেই। তবে বালি পাথরের আস্তরণ ভেঙে পিলারের রডগুলো রয়ে গেছে। সড়কের ঠিক মাঝ বরাবর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বের হয়ে রয়েছে পিলারের রডগুলো। যা কোনো সময় ভেদ করতে পারতে যে কারোর শরীর, ঘটাতে পারে বড় রকমের দুর্ঘটনা।
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বীর মুক্তিযুদ্ধা মনোয়ার বখত নেক স্মরণীর নিচে স্থাপিত দুটি পিলারের এমন অবস্থা। এই সড়কের দুপাশেই দুটি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রাতিষ্ঠান। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আসা যাওয়া করে এই সড়ক দিয়ে। টিফিন কিংবা ছুটির সময়েও জড়ো হয় এই জায়গায়। আড্ডার ছলে আনন্দে মগ্ন হয়ে একটু অসচেতন হলেই যে কোনো সময় শিক্ষার্থী আহত হবার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও এই সড়ক দিয়ে সুনামগঞ্জ শহরবাসীর চলাচল। মমিনুল মউজদিন সড়ক হয়ে পৌরসভায় যেতেও এই সড়ক ব্যবহার করতে হয়। চলাচলের সময় রিক্সা, মোটরসাইকেল বা গাড়ির চালকের চোখে না পড়লে, যে কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।
এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র জামিল ও ছায়মন জানায়, অনেকদিন যাবৎ এমন অবস্থা। কিছুদিন আগে স্কুলে টিফিনের সময় অসাবধানতায় তাদের সহপাঠী সুশানের পায়ে আঘাত লেগেছে এই রডে। হাঁটার গতি কম ছিলো, বিধায় কম ক্ষতি হয়েছে।
রিক্সা চালক আলিম উদ্দিন বললেন, রড় বাঁকা হয়ে আছে। রিক্সার রিংয়ে লাগলে রিক্সা এবং যাত্রী উভয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
মোটরসাইকেল চালক হাসানুজ্জামান বললেন, যে কোনো মোটরসাইকেল মোড় নেয়ার সময় যদি চোখে এই রডগুলো না পড়ে, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটবে। দু’পাশেই বাউন্ডারি ওয়াল এবং ফুটপাত। চালক ছিটকে গিয়ে ধাক্কা খেলে খারাপ অবস্থা হবে।
সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কালি কৃষ্ণ পাল বললেন, বড় গাড়ি আটকানোর জন্য পিলার দেয়া হয়েছে। যানবাহনের ধাক্কা ও স্কুলের কাজে পিলার দুটি ভেঙ্গে গেছে। পৌর মেয়র দেশের বাইরে আছেন, দেশে আসলে পিলার আবার তৈরি করা হবে, নয়তো রডগুলো কাটা হবে।