প্রতিনিধি সম্মেলন কোনো পিকনিক নয়-নানক

স্টাফ রিপোর্টার
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, সুনামগঞ্জে অনেক দিন পর্যন্ত কোনো সভা হয়নি। আপনারা প্রতিনিধি হয়ে একেক উপজেলা থেকে একেকজন বক্তব্য দিয়েছেন। তারপরেও সময় ছিলো নির্ধারিত। কিন্তু এই সময়টি ছিলো গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আমরা কেন্দ্রীয় নেতারা আপনাদের কাছে এসেছি। আমরা আপনাদের বক্তব্য শুনেছি। এখানে পাঁচজন সংসদ সদস্য রয়েছেন। প্রত্যেকের আমলনামা প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাচ্ছে। তিনি দেখছেন, তাদের আমলনামা দেখে পরবর্তী নমিনেশন দেয়া হবে। রোববার বিকালে সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমী হলে আওয়ামী লীগের জেলা প্রতিনিধি সভায় নানক এইসব কথা বলেন।
রবিবার বেলা ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাসন রাজা মিলনায়তনে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, এতো বড় একটি সভায় কে কী বক্তব্য দিলো সেগুলো লেখার জন্য জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক একটা টেবিল নিয়ে বসেন নাই দেখে দুঃখ পেয়েছি। এটা কোনো পিকনিক নয়। আশা করেছিলাম দপ্তর সম্পাদক যতগুলো মিটিং হয়েছে, তার কার্যবিবরণ তুলে ধরবেন। এটি সংগঠনের নিয়ম। এই সত্য কথা বলার জন্য কেউ যদি কষ্ট পায় আমার কিছু করার নেই।
তিনি বলেন, আমি আপনাদের সামনে সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ইমনকে বলেছি এর আগে রাজশাহী রংপুর বিভাগের দায়িত্ব পালন করেছি। প্রত্যেকটি ইউনিয়নের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের ফোন নম্বর আমার কাছে এখনও আছে। সেই ফোন নম্বর সংগ্রহ করার জন্য এই মিটিংয়ে আপনাদের সাধারণ সম্পাদককে বলেছি। কারণ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকতে হবে ইউনিয়ন পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে। তিনি বলেন, উপজেলা সম্মেলন হবে না, তাহলে জেলা কমিটির কিসের প্রয়োজন আছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই সুনামগঞ্জের প্রত্যেকটি উপজেলা সম্মেলনে আমরা থাকবো। এবং ঐ জায়গায় কমিটি হবে। দেখি কত ধানে কত চাল।
তিনি বলেন, আপনারা কারও বেতনভুক্ত কর্মচারি নয়, তাহলে একেক জন একেক ভাইয়ের পেছনে দৌড়ান কেনো। জেলার রাজনীতি করবেন আর কমিটি করবেন, মিটিং করবেন ঢাকায় বসে এটি হতে পারে না। এটি হতে দেয়া হবে না। ভাইও বন্ধুগণ, আপনারাই শেখ হাসিনার ভিত্তি। আপনাদের মুখের দিকে তাকিয়ে জীবনকে বাজি রেখে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে শেখ হাসিনা এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, এই আওয়ামী লীগে যারা হাইব্রিডদের জায়গা দেন, তাদের জায়গা এই আওয়ামী লীগে হবে না। জামায়াতকে আওয়ামী লীগার বানাবেন আর আপনি আওয়ামী লীগ করবেন, এমপি হবেন তা হবে না। সব রিপোর্ট প্রতিমাসে মাসে চলে যাচ্ছে। সেই রিপোর্ট দেখেই আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন দেবেন।