পুলক রাজ
সনাতন ধর্মালম্বিদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। আগামী ১১ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজা দিয়ে শুরু হবে ৫ দিনব্যাপী উৎসব। শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা। ইতিমধ্যে প্রতিটি ম-পে প্রতিমা নির্মাণ শেষ হয়েছে। এখন শুধু রং-তুলির আঁচড়ে দুর্গতিনাশিনীর রূপ ফুটিয়ে তোলার অপেক্ষা। সব মিলিয়ে প্রতিমা শিল্পীদের এখন দম ফেলার সময় নেই। এবার সুনামগঞ্জ পৌর শহরে ২৩টি ম-পে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
সরেজমিনে দেখা যায় শহরের মধ্যবাজার, জগন্নাথবাড়ী, কালীবাড়ী, ষোলঘর, নবীনগর, উকিলপাড়া, হাছননগর, মল্লিকপুর, ওয়েজখালী, নতুনপাড়া এলাকায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমাশিল্পীরা। অধিকাংশ ম-পেই বাঁশ ও মাটির কাজ শেষ হয়েছে, চলছে রং এর কাজ।
প্রতিমাশিল্পী সুষেন পাল বলেন, আমি শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর মন্দিরে প্রতিমার কাজ করছি, কাজও শেষের দিকে। গত বছর করোনা ভাইরাসের প্রভাব বেশী থাকায় তেমন উৎসবমুখর পরিবেশ ছিলো না।
প্রতিমাশিল্পী দুলাল পাল বলেন, নবারুন সংঘ, ষোলঘরে আমি দীর্ঘ ৩১ বছর যাবৎ এবং নবীনগর টানা ২৭ বছর ধরে প্রতিমা তৈরি করছি। কিছুদিনের মধ্যেই প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হবে।
প্রফুল্ল পাল বলেন, আমি ভ্রাতৃসংঘ কমিটি কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দিরে প্রতিমা তৈরী করছি। এছাড়াও মুক্তারপাড়া, রায়পাড়া, বাঁধনপাড়া, উকিলপাড়ায় দুর্গাপুজার প্রতিমা তৈরী করছি। তিনি বলেন, গত বছর কাজ তেমন ছিলো না, বাজেটও কম ছিলো।
ভ্রাতৃসংঘ কমিটি কালীবাড়ি সভাপতি প্রদীপ কুমার দে বলেন, আমাদের সব চেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। প্রতিমার কাজ শেষের দিকে। বাকি রয়েছে অলঙ্কারের কাজ, এটাও উৎসব শুরু হওয়ার আগে সম্পন্ন হবে। গত বছরের চেয়ে এবছর বাজেট বেশী, তাই আমরা জাঁকজমকভাবে করার চেষ্টা করছি।


