স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের কাচা ষোলোঘরের বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন। তিনি আদর করে তার গরুর নাম রেখেছেন ‘আবুল’। এই আবুলের জন্য দাম চাওয়া হয়েছে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা।
গত বছরের মতো এবারের প্রথম দিনে কোবরানির হাট জমজমাট হয়নি। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গরু বিক্রেতা ও ক্রেতার সংখ্যা তেমন ছিলোও না। এদিকে দুপুরের পর থেকে হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতারা জমায়েত হতে থাকেন। জমায়েত হওয়া ক্রেতা বিক্রেতাদের জন্য শারীরিক দূরত্ব রেখে হাটের ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ।
সদর উপজেলার কোরবান নগর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁওয়ের গরু বিক্রেতা মো. শাহিদ মিয়া এসেছেন ৩ টি গরু নিয়ে। তার গরু গুলোর বড় অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে দাম চেয়েছেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার, ২ লক্ষ ৪০ হাজার ও ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা।
বিকাল ৪ টার সময়ে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে দেখা এই গরু বিক্রেতার। তিনি জানালেন, দুপুর থেকে হাটে গরু নিয়ে এসেছেন। বিকেল হলেও এখন পর্যন্ত ছোট গরুটি কিনতে দাম দর করেছে ক্রেতারা। তবে দামেদরে না বনায় বিক্রি করেন নি তিনি।
প্রথম দিনের হাটে ক্রেতা বেশি আসেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোরবানি দেয়ার মতো টাকা মানুষের হাতে নেই। এজন্য হাটে মানুষ বেশি আসেনি। যারা এসেছেন ছোট গরুর দামদর করেছেন।
আলী পাড়ার বাসিন্দা আজিজুর রহমান বললেন, হাটে গরু কিনতে এসেছিলাম। এসে দেখলাম গত বারের চেয়ে এবার গরুর দাম বেশি। হাটে গরু কম আসায় আজকে দাম বেশি।
পৌরসভার পশুর হাট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ওয়াসিম আহমেদ বললেন, আজকে প্রথম দিন হওয়ায় গরু বিক্রেতা ও ক্রেতারা বেশি আসেনি। তবে দ্বিতীয় দিন থেকে এখানে হাটে ক্রেতা বিক্রেতার সংখ্যা বাড়বে।


