লিপসন আহমদ
প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলার শুরুতেই জেলা প্রশাসক জেলা শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক চিত্র সংক্ষেপে তুলে ধরেন। পরে জেলা প্রশাসক কথা বলতে দেন এইচএসসি পরীক্ষার্থী সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী রুবাইয়া আলতাফ, সুনামগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুলের পরীক্ষার্থী আয়শা ইসলাম, সরকারি কলেজের পরীক্ষার্থী জয়ন্ত পাল ও আলহেরা জামেয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার ইমরান সিকদারকে।
জয়ন্ত পাল শুরুতেই বললো- ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত
নিঃসন্দেহে ‘ভিশন ২০২১’ এর একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আয়শা ইসলাম বললো,‘তথ্য প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আপনি বদলে দিয়েছেন প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যার সুফল আমরা ভোগ করছি। আগের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে রেজিস্ট্রেশন, ভর্তি বা ফলাফল জানার ঝামেলা পোহাতে হয় না। আপনার গৃহীত পদক্ষেপের ফলে শিক্ষায় পিছিয়ে থাকা সুনামগঞ্জ জেলা উঠে এসেছে মূল প্লাটফর্মে। শিক্ষার হার বাড়ানোর পাশপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন, লিঙ্গ বৈষ্যম্য দূরীকরণ দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।
রুবাইয়া আলতাফ বললো,‘নারী ও শিশু শিক্ষার উন্নয়নে আপনার ভূমিকা অতুলনীয়। যার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো আপনাকে ‘শান্তিবৃক্ষ পদক’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে। বাল্য বিবাহের অভিশাপ থেকে আমাদের মুক্ত করে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে নতুন পথের সন্ধান দিয়েছেন আপনি’।
ইমরান শিকদার বললো,‘আপনার শাসনামলে মাদ্রাসা শিক্ষা আধুনিকায়ন হয়েছে। ধর্মান্ধতা দূর করে আপনি প্রকৃত ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন’।


