প্রধানমন্ত্রীকে দোয়ারা আসার আমন্ত্রণ ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীকের

স্টাফ রিপোর্টার
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে দোয়ারাবাজার আসার আমন্ত্রণ জানালেন অধ্যক্ষ মো. ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  সোমবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে বীর শ্রেষ্ঠগণের উত্তরাধিকারী ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপহার গ্রহণের সময় ইদ্রিস আলী প্রধানমন্ত্রীকে এই আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী ইদ্রিছ আলী বীরপ্রতীকের অনুরোধে সাড়া দিয়ে বলেন,     ‘যাব আমি’। দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইদ্রিছ আলী বীরপ্রতীক এসময় প্রধানমন্ত্রীকে বলেন,‘দোয়ারাবাজার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স জানুয়ারি মাসের যে কোন তারিখেই আপনি উদ্বোধন করবেন এই প্রত্যাশা করছেন দোয়ারাবাজারের মুক্তিযোদ্ধারা’।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সব কিছু করতে তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে ১৯৭১ সালে বীর বিক্রমে যুদ্ধ করে মুক্তিযোদ্ধারা আমাদেরকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ উপহার দিয়েছেন। …কাজেই আমরা মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করব।’
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহাম্মাদ শফিউল হক, নৌবাহিনী প্রধান এ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ৭ বীরশ্রেষ্ঠ’র উত্তরাধিকার ও ৭০ জন  খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাকে পরিচয়পত্র, সম্মানীর চেক এবং শাল ও  মোবাইল ট্যাবসহ উপহার বিতরণ করেন। ৭০ জনের মধ্যে সিলেট বিভাগের সিলেটের গোলাপগঞ্জের মেজর জেনারেল অব. আজিজুর রহমান বীরত্তোম, সিলেট সদরের কর্ণেল অব. এম এ সালাম বীরপ্রতীক ও দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিছ আলী বীরপ্রতীক ছিলেন।