প্রসঙ্গঃ সুনামগঞ্জে মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন-প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা-সাধুবাদ

এ আর জুয়েল
সুনামগঞ্জে মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে একনেক সভায় প্রধানন্ত্রী একমত পোষণ করেছেন এবং পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেওয়ায় সুনামগঞ্জের শিক্ষাবিদ-আইনজীবী ও সুশীল সমাজের বিশিষ্টজনেরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নানকে কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ জানিয়েছেন।
পৃথক পৃথকভাবে দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের কাছে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ‘এতো বড় একটি ঘোষণায় সুনামগঞ্জবাসী উৎফুল্ল-আনন্দিত। মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় হলে পশ্চাৎপদ সুনামগঞ্জের অপ্রত্যাশিত উন্নয়ন হবে।’ একই সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব এই বিষয়টি’র অগ্রগতি দেখার কথাও বলেছেন বিশিষ্টজনেরা।
বিশিষ্ট আইনজীবী জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আপ্তাব উদ্দিন বলেন, ‘সুনামগঞ্জে মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা সুনামগঞ্জ জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবিরই বাস্তবায়ন। এজন্য আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানাই’।
বিশিষ্ট আইনজীবী ও লেখক অ্যাড. স্বপন কুমার দেব বলেন, ‘সুনামগঞ্জের মানুষ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার নীতিগত অনুমোদন হয়েছে দেখে খুবই খুশি। একটি মেডিকেল কলেজ ও একটি বিশ্ববিদ্যালয় এই জনপদকে অনেক অগ্রগতির  
দিকে নিয়ে যাবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন’।
বিশিষ্ট আইনজীবী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী বলেন, ‘খুব খুশির খবর, মনে হয়েছে আমাদের প্রাণের দাবি’র বাস্তবায়ন হতে চলেছে। অচিরেই মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প তৈরি করে একনেকে অনুমোদন করে কাজ শুরু দেখতে চাই আমরা। এমন একটি সুখবর দেবার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও অর্থ প্রতিমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানাই’।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ পরিমল কান্তি দে বলেন, ‘আজ বুধবার সুনামগঞ্জবাসীর সবচেয়ে আনন্দের সংবাদ। শিক্ষার্থীরা আজ আনন্দ মিছিল করলে আরও বেশি খুশি হতাম। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’
মুক্তিযুদ্ধ চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র সুনামগঞ্জের আহ্বায়ক অ্যাড. বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমরা দ্রুতই দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তবায়ন চাই’।
চিকিৎসক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক ডা. সালেহ আহমদ আলমগীর বলেন, ‘এই উদ্যোগে অবহেলিত সুনামগঞ্জবাসীর উন্নত চিকিৎসা প্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীকে’।
সুনামগঞ্জ শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সৈয়দ শামসুল ইসলাম বলেন, ‘সুনামগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিধ্বনি ঘটিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন দুজনকেই’।