প্রেসিডিয়াম সদস্য হলেন নুরুল ইসলাম নাহিদ

বিশেষ প্রতিনিধি
সিলেট বিভাগের সৎ-মেধাবী রাজনীতিক হিসাবে পরিচিত নুরুল ইসলাম নাহিদ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের সরকারের শিক্ষামন্ত্রী। তিনি ২০০৯ সাল থেকে এ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।  
ষাটের দশকের শুরুতে আইয়ুুব খানের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় কর্মী ছিলেন নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি “বাংলাদেশ যুব ইউনিয়েনর” প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। সুদীর্ঘকাল “ছাত্র ইউনিয়নের” ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯৬ সালে ৭ম ও ২০০৮ সালে ৯ম এবং ৫ জানুয়ারি ২০১৪ সালে ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা (সিলেট-৬) থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ৬ জানুয়ারি, ২০০৯ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। অদ্যাবধি তিনি সুনামের সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করছেন।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে ১৯ সদস্যের সভাপতিমন্ডলীর সদস্যের মধ্যে ১৬ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে সভাপতিমন্ডলীর সদস্য। ওবায়দুল কাদের আগের কমিটির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ছিলেন। সভাপতিমন্ডলীর বাকি ১৪ জনের মধ্যে আটজন পুরোনো সদস্য। এঁরা হলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফরউল্লাহ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সাহারা খাতুন, মোশাররফ হোসেন। নতুন ছয় সদস্য হলেন নুরুল ইসলাম নাহিদ, আবদুর রাজ্জাক, ফারুক খান, আবদুল মান্নান খান, রমেশ চন্দ্র সেন ও পীযূষ ভট্টাচার্য। বাকি তিনটি পদ ফাঁকা রাখা হয়েছে।
নতুন করে সভাপতিমন্ডলীর পদে যুক্ত হয়েছেন ছয়জন। বিগত কমিটির সভাপতিমন্ডলী থেকে বাদ পড়েছেন নূহ আলম লেনিন।
চারটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদের তিনটিতে পুরোনোরাই বহাল আছেন। এঁরা হলেন মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি ও জাহাঙ্গীর কবির নানক। এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন আবদুর রহমান।
কোষাধ্যক্ষ পদে আগের এইচ এন আশিকুর রহমানই বহাল আছেন।
সম্মেলন থেকে জানানো হয়েছে, বাকি ৬০ পদ সভাপতি শেখ হাসিনা সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিমন্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবেন।