Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
বন্যায় দ. সুনামগঞ্জে কৃষিতে ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

বন্যায় দ. সুনামগঞ্জে কৃষিতে ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা

কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ, দ.সুনামগঞ্জ
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় উজানের ঢল এবং অতি বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় বীজতলা ও শাকসবজি ভেসে গিয়ে মারাত্মক ক্ষতির সমম্মুখীন হয়েছেন কৃষকরা। বারবার বীজতলা নষ্ট হওয়ায় সব হারিয়ে এখন কৃষি বিভাগের সাহায্য কামনা করছেন কৃষকরা। তবে বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে আবারও বীজতলা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অনেকেই।
সরেজমিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী ভাসমান চারা রোপণ ও উঁচু জায়গা এমনকি বাড়ির আঙ্গিনাতেও চারা রোপণ করেছেন অনেকে। অনেক জায়গায় নতুন করে বীজতলা তৈরি করছেন কৃষকরা। কৃষকদের আশা আর বন্যা না হলে ক্ষতি কাটিয়ে উঠে এবার লাভবান হবেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বন্যায় রোপা আমনের ৩০ হেক্টর জমির বীজতলা ১০০ হেক্টর জমির শাকসবজী ভেসে যাওয়ায় প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগের দাবি বন্যা পরিস্থিতিতে মনিটরিং ও কৃষকদের আগাম সতর্কবার্তা দেয়ায় ক্ষতির পরিমান অনেকটাই কম হয়েছে। কৃষিতে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নের কৃষকদের মধ্যে ৫ কেজি করে বীজ বিতরণ করেছে কৃষি বিভাগ।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সদরপুর গ্রামের কৃষক সাইদুল ইসলাম বলেন, বন্যায় আমার সব ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। এখনো আবারো বীজতলা রোপনের চেষ্টা করছি।
পাগলা এলাকার কৃষক ময়না মিয়া বলেন, পরপর বন্যায় আমরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। বন্যায় আমাদের সব চারা ও বীজতলা ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। এখন আমরা আমরা কৃষি বিভাগ ও সরকারের কাছে আমরা সাধারণ কৃষকরা আর্থিক সাহায্য চাই।
উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবুল কালাম আযাদ বলেন, বন্যাকালীন সময়ে আমরা কৃষকদের শাকসবজি রোপণ এবং ভাসমান বীজতলায় কিভাবে রোপা আমন বীজতলা তৈরি করা যায় সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছি।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, পরপর ৩ বারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষি বিভাগ। আমরা সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কৃষকদের সবসময় আমাদের মাঠকর্মী যারা কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আছে তাদের মাধ্যমে বন্যা পরবর্তী সময়ে কি করতে হবে এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। এই করোনা পরিস্থিতিতেও আমাদের মাঠকর্মীরা সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা আমাদের হাতে আছে, সরকারি কোন সহায়তা এলে অবশ্যই কৃষকদের জানানো হবে।