স্টাফ রিপোর্টার
পরিকল্পনা মন্ত্রী এমনএ মান্নান এমপি বলেছেন, হাওরের বিপদ কিছুটা দূর হয়েছে, প্রথম ধাক্কা সামলেছেন জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও কৃষকরা। দ্বিতীয় ধাক্কা আসার আগেই আমরা আশা করছি ফসল ঘরে তুলতে পারবো। তিনি বলেন, হাওরে বন্যা কোন বছর আসে, কোন বছর আসে না এটা প্রকৃতির ব্যাপার। এটা কোন মানুষের নিয়ন্ত্রণে নয়। তিনি বলেন, প্রতি বছর আমরা ফসল রক্ষা বাঁধের জন্য প্রকল্প হাতে নেই। কোন বছর পানি আসে কোন বছর পানি আসে না।
২০১৭ সালের কথা আমার পরিস্কার মনে আছে। তিন দিনের মধ্যে সারা সুনামগঞ্জের হাওর গুলোর ধান ডুবে মালদ্বীপ হয়ে গিয়েছিল। এই বছর ঢলে দিরাই, ধর্মপাশা, তাহিরপুর উপজেলায় ধানের কিছু ক্ষতি করছে। আগামী এক সপ্তাহ যদি প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না আসে তাহলে সুনামগঞ্জের মানুষ ধান কাটতে পারবে।
মন্ত্রী বলেন, হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধের কাজে দূর্নীতি আছে, গাফলতি আছে অস্বীকার করছি না। তবে ঢালাও নয়। পিআইসির দুর্নীতি পরিচিত বিষয়। হাওর রক্ষা বাঁধের কাজে প্রান্তিক কৃষকদের বেশি করে যুক্ত করতে হবে। বড় কৃষকদেরও আরো এগিয়ে আসতে হবে। এক সময় কৃষকরা বাঁধ রক্ষা করেছেন, এখন প্রশাসনের উপর নির্ভরশীল হয়ে গেছি আমরা।
তিনি বলেন, নদী খনন, বাঁধ সময়মত, সঠিকভাবে দেবার পাশাপাশি হাওরে ৮ দিন আগে ধান কাটা শুরু করা গেলে, আরও বেশি নিরাপদ হতে পারে। কম জীবনকালের ধান আবিস্কার এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বাঁধের কাজে প্রশাসনের লোকদের আরো কঠোর হতে হবে। তবে এখন দোষারোপ না করে, কম সময়ের মধ্যে ফসল ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে হবে।
শুক্রবার বিকালে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন।
- আবহাওয়া ভালো থাকায় হাওরে কিছুটা স্বস্তি
- তলিয়ে গেছে এরালিয়াকোনা হাওর, ৪ হাজার একর জমির ধান পানির নীচে


