বাংলাদেশকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না -এমএ মান্নান

দ. সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুর অফিস
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি বলেছেন,‘বতর্মান সরকার দেশের এবং দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করছে বলেই দেশ প্রতিদিন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ জেগে উঠেছে। দেশে উন্নয়নের সময় এসেছে। বাঙালি জাতি অদম্য জাতি। বাংলাদেশকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে।’
রবিবার দুপুরে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের মির্জাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে, মির্জাপুর, মানিকপুর, ফতেপুর ও হাসনাবাজ নতুনপাড়া গ্রামে ২ কোটি টাকা ব্যয়ে সাড়ে ৩ শত পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন,‘গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, মজুর, হরিজন তারাই এদেশের প্রকৃত মানুষ। এই প্রকৃত মানুষদের জন্য বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুৎ, রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, কমিউনিটি ক্লিনিক, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ সহ কৃষির উন্নয়নে মহা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার চিন্তা চেতনায়। তিনি সাবেক বিরোধী দলীয় নেত্রীকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, সমাজে কিছু লোক আছে       
যারা দেশ ও জনগণের সম্মান চায়না, সমাজের ভালো চায় না, গরীব মানুষদের উপকার হউক এটাও চায়না। তারা কি করে দেশের ভিতরে বিশৃংখলা, বোমাবাজি, দাঙ্গা ফ্যাসাদ, হরতাল, পুলিশ, ডাক্তাদের কাজে বাধা, শিশুদের বিদ্যালয়ে যেতে বাধা দেয়ার পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে। এরা আমাদেরই সমাজের লোক। এদেরকে চিহ্নিত করতে হবে। এদেশে অন্যায় পথে রাজনীতি আর চলবে না।’
জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়ার সভাপতিত্বে ও ফরিদ আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম সোহেল পারভেজ, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলমগীর কবির, জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি সিরাজুর রহমান সিরাজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি তহুর আলী, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ১২নং এরিয়া পরিচালক ফরিদুর রহমান, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ সভাপতি অ্যাড. বোরহান উদ্দিন দোলন, সহ সভাপতি প্রভাষক নূর হোসেন, জেলা পরিষদ সদস্য সমুজ আলী, জহিরুল ইসলাম।
এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মাও. আব্দুল কাইয়ূম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুজন, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহ সভাপতি মাসুক মিয়া প্রমুখ।
আলোচনা সভার পর প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান ২ কোটি টাকা ব্যয়ে মির্জাপুর, মানিকপুর, ফতেপুর ও হাসনাবাজ নতুনপাড়া গ্রামের সাড়ে ৩শত পরিবারে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করেন।
এর আগে সোমবার জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজ এর নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ও কলেজের নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুন নুর এর সভাপতিত্বে ও প্রভাষক প্রতিভা রানী দাশের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি কলেজ গর্ভনিং বডির সদস্য প্রবীণ রাজনীতিবীদ সিদ্দিক আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ব্যারিষ্টার এম এনামুল কবির ইমন, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আকমল হোসেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য রেজাউল করিম রিজু, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য ডাঃ আব্দুল আহাদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক বিজিত বৈদ্য, অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী মুহিবুর রহমান লিট,ু রনি রাজ, জুনেদ আহমদ প্রমুখ। এসময় একাদশ শ্রেণীর নতুন শিক্ষার্থীদেরকে রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা বরণ করে নেয়। পরে মন্ত্রী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। বিকেলে তিনি ইসহাকপুর আল জান্নাত এডুকেশন ইসলামিক ইনষ্টিটিউটের উদ্যোগে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।  আল জান্নাত এডুকেশন ইসলামিক ইনষ্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা আকমল খানের সভাপতিত্বে ও ভাইস প্রিন্সিপাল এমদাদুল হক এর পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ব্যারিষ্টার এম এনামুল কবির ইমন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুন বিল্লাহ, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল শহিদুল ইসলাম নিজামী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,
জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবীদ সিদ্দিক আহমদ, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আকমল হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য রেজাউল করিম রিজু, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ছায়াদ খান,  ডাঃ আছকির খান, ইয়াওর মিয়া প্রমুখ।