স্টাফ রিপোর্টার
যে বয়সে বইখাতা হাতে নিয়ে বিদ্যালয়ে সহপাঠিনীদের সাথে পাঠ গ্রহণে উপস্থিত থাকার কথা ছিলো ৭ম শ্রেণীতে পড়–য়া কিশোরীর তাকে সেসময় চাপের মুখে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হচ্ছিল। গায়ে হলুদের পর কনের সাজে সাজানো হয়েছিলো। সোমবারই তার বিয়ের দিন পাকা ছিল। কিন্তু প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে।
জেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি গৌরী ভট্রাচার্য্য জেলা প্রশাসক শেখ মো. রফিকুল ইসলামকে সোমবার দুপুরে বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণীতে পড়–য়া ১৩ বছরের কিশোরীর বিয়ের আয়োজনের বিষয়টি অবহিত করলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তাহিরপুরের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি কমিশনার (ভুমি) সোমবার ৩ টার দিকে পুলিশ নিয়ে ওই কিশোরীরর বাড়িতে হাজির হন। মেয়েকে বাল্য বিবাহ দিবেন না এবং মঙ্গলবার থেকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠাবেন এই শর্তে কনের পিতার নিকট থেকে মুচলেকা নেয়া হয়। অপরদিকে বর নুর ইসলাম (২১) বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়ির দিকে আসার পথে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ আসার খবর পেয়ে বাড়ি ফিরে যান।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, মেয়ের বাবার নিকট থেকে গ্রামবাসী ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে সাক্ষি রেখে মেয়েকে বাল্য বিবাহ দিবে না মর্মে মুচলেকা নেয়া হয়েছে। মেয়েকে বিদ্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।


