স্টাফ রিপোর্টার
এই সরকারের অধীনে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে অংশ নিবে না বিএনপি। ব্যক্তিগতভাবে অংশ নিলে দল থেকে পদত্যাগ করতে হবে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটি’র সভায় এ সিন্ধান্ত হয়। কিন্তু তাহিরপুর উপজেলায় সপ্তম ধাপের ইউপি নির্বাচনে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নেই দলটি’র পদধারী নেতারা চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর দলটির উপজেলার বাসিন্দা উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে নেতারা নিজ দলের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় দিনে ও রাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। যদিও বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। তাহিরপুর উপজেলা’র ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি।
তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক জুনাব আলী। তারঁ পক্ষে প্রতিদিন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তাহিরপুর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল, জেলা বিএনপি’র সহ-দফতর সম্পাদক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আবু হাসান রাসেল, উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুন্নাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। একই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শাহিন মিয়া ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক তোজাম্মেল হক ওরফে নাসরুম। দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপি’র সহসভাপতি আবুল কাসেম এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন। দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আলী আহমদ মুরাদ ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক বাবুল মিয়া, বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক সবুজ আলম, শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপি’র সহসভাপতি আলী হায়দার।
উপজেলা রিটানিং কর্মকর্তার কাছে বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র জমাদানের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও জেলা কৃষকদলের আহবায়ক আনিসুল হক, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি নুরুল ইসলাম।
তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল হোসেন খাঁন বলেন, সবার অংশগ্রহণে তাহিরপুরে ভোট উৎসব শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত কোন প্রার্থীই নির্বাচনের পরিবেশ ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেননি। এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় বলেই সপ্তম ধাপেও সকল দলের প্রার্থীগণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বলেন, বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। কারণ দেশে ভোটের পরিবেশ নেই। সরকার ইচ্ছেমতো নির্বাচন কমিশন আইন পাশ করেছে। আমি মনে করি নৈতিক কারণেই এ নির্বাচনে বিএনপি নেতাদের অংশগ্রহণের কোন সুযোগ নেই।


