জগন্নাথপুর অফিস
চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের সাতটি ইউনয়নে আজ রবিবার ভোটগ্রহণ হচ্ছে। শনিবার সকাল থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জার পৌছে দেওয়ার কথা থাকলেও সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোথাও পৌঁছেনি ভোটের সরঞ্জাম। এ কারণে ক্ষোভ ঝেঁড়েছেন ভোট কর্মীরা।
উপজেলা পরিষদ এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ের সামনে দিনভর অপেক্ষমান অনেকেই বিকালে হৈ, চৈ শুরু করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষামান এক সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা জানান, দিনভর অপেক্ষায় আছি ,ভোট কেন্দ্রে সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার জন্য, রাত হয়ে গেছে তবুও মেলেনি সরঞ্জাম, চিন্তায় আছি কখন পাওয়া যাবে। তিনি হাওরাঞ্চলের গোপড়াপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রের দায়িত্ব পেয়েছেন। সেখানে যেতে অনেক রাত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জানা যায়, জগন্নাথপুরের সাতটি ইউপি নির্বাচনে তিনজন রিটার্নিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। শনিবার জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ারের কার্যালয় থেকে ভোটের সরঞ্জামসহ লোকবল পৌঁছানোর আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে এসব পাঠানোর কথা থাকলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ক্রুটি এবং ভোটের সরঞ্জাম প্রস্তুুত করতে সমস্যা দেখা দেওয়ায় ব্যাহত হয় কার্যক্রম।
উপজেলা নির্বাচন অফিসের দায়িত্বশীলরা জানান, জগন্নাথপুরের সাতটি ইউনিয়নে ভোট কেন্দ্র ৭৭টি। বুথ সংখ্যা ৩৭৫টি। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে একজন করে ৭৭ জন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা থাকবেন ৩৭৫ জন। পোলিং অফিসার ৭৭০ জন দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, স্টাইকিং র্ফোস, র্যাব, বিজিবিসহ বিভিন্ন স্তরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন দায়িত্বে দায়িত্বে পালন করবেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মুজিবুর রহমান বললেন, খুবই ব্যস্ত আছি। পরে কথা বলবো।


