বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি
বিশ্বম্ভরপুরে করচার হাওরে মাছ ধরার আধিপত্যকে কেন্দ্র করে কোনাজাল ও কারেন্টজাল জেলেদের মধ্যে উত্তেজনাভাব দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে বিষয়টি আপোষে মিমাংসা করা হয়।
প্রতিবছর হাওরপারের কৃষকদের বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের বেচে থাকার শেষ অবলম্বন হিসেবে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করাকেই বেছে নেয়। এই মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে কোনা জাল ও কারেন্ট জাল ব্যবহারকারী জেলেদের মাঝে বিবাদ দেখা দিয়েছিল।
মাছ ধরার আধিপত্যকে কেন্দ্র করে উভয় দলের মধ্যে মঙ্গলবার সকালে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের উপক্রম দেখা দিলে বিশ^ম্ভরপুর থানার অসি মোল্লা মনির হোসেন ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ ফোর্স নিয়ে উভয় দলকে উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।
পরে পলাশ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম, এলাকার মুরব্বীয়ান আব্দুল কুদ্দুছ, থানা ইনচার্জ মোল্লা মনির হোসেন, ইউপি সদস্যগন সহ উভয়পক্ষের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে হাওরে মাছ ধরার সীমানা নির্ধারন করা হয়।
প্যারীনগর স্কুলের পাশের জাঙ্গাল ও ডীমের জাঙ্গালকে সীমানা নির্ধারন করে পূর্ব অংশ কোনাজালদের ও পশ্চিম অংশ কারেন্ট জালদের জেলেদের জন্য বাঁশের খুঁটি গেড়ে সীমানা নির্ধারন করে নিস্পত্তি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সমীর বিশ^াস।
যদিও কারেন্ট জাল ও কোনা জাল নিষিদ্ধ, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও অকাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বোর কৃষক সহ মৎস্য আহরনকারীগণের সুবিধার্থে মানবিক কারণে অলিখিতভাবে এ সুযোগ প্রদান করা হয়েছে ।


