স্টাফ রিপোর্টার
শিক্ষকতা মহান পেশা। এই পেশায় যারা একবার জড়িয়ে যান শত চেষ্টা করেও তারা সেটি ভুলতে পারেন না। তার বাস্তব প্রমাণ সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম। এক সময় তিনি কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে প্রশাসনের উচ্চ পদে নিয়োজিত থাকলেও ভুলে যান নি সেই মহান পেশাকে। যখন সময় ও সুযোগ পান পাঠদান দেয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
তেমনি শনিবার দুপুর পৌনে এক টায় বিশ্বম্ভরপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে জেলা সদরে ফেরার পথে স্থানীয় জগন্নাথপুর ও চালবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান দেন এবং বিদ্যালয়গুলোর সার্বিক খোঁজখবর নেন তিনি।
জানা যায়, জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম প্রথমে জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পরে চালবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান করেন।
জগন্নাথপুর বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ও চালবন্দ বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণির গণিতসহ সাধারণ জ্ঞানের ক্লাস নেন তিনি।
চালবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রজব আলী বলেন,‘আমরা জানতাম না আমাদের বিদ্যালয়ের ডিসি স্যার আসবেন। হঠাৎ করে দেখি আমাদের বিদ্যালয়ের সামনের দরজায় স্যার।
তিনি ৫ম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের একটি ভগ্নাংশের অংক ব্ল্যাকবোর্ডে নিজ হাতে করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা ডিসি স্যারকে কাছে পেয়ে খুব উৎফুল্ল হয়েছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক অবস্থার কথা স্যারকে জানিয়েছি আমরা। ’
জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন,‘আমাদের স্কুলে ডিসি স্যার আসবেন তা আমরা আগে থেকে জানতাম না।
তিনি স্কুল পরিদর্শন করেছেন এবং ৩য় শ্রেণির ক্লাসে ইংরেজি ও অংকের পাঠদান দিয়েছেন। এছাড়া স্যার আমার কাছ থেকে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার তথ্য জানতে চেয়েছেন। আমার যতটুকু জানা ছিল আমি তা স্যারকে বলেছি।’
- আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস আজ শ্রমজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করুন
- জগন্নাথপুরে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান


