বিশ্বম্ভরপুরে বন্যার পানি কমছে, ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি
বিশ্বম্ভরপুরে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় পাহাড়ি ঢলের পানি কমতে শুরু করেছে, সরকারি ও বেসরকারিভাবে শুকনো খাবার ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে। তবে তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানা গেছে।  শুক্রবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পানি কমতে শুরু করেছে। অফিসপাড়াসহ বিভিন্ন রাস্তা ঘাট, বাড়ি ঘর থেকে পানি নেমে যাচ্ছে। বন্যা কবলিত এলাকায় সরকারিভাবে বরাদ্দ থেকে শুকনো খাবারসহ ত্রাণ বিতরণ চলছে। ত্রাণ বিতরণের অংশ হিসাবে শুক্রবার ফতেপুর ইউনিয়নের বন্যা কবলিত গ্রাম গুলোতে নৌকাযোগে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তালুত নিজেই বিতরণ করেন।
এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিএম ওয়ালিউল ইসলাম, ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান শাহ, নব নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান রনজিৎ চৌধুরীসহ স্থানীয় ইউপি উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও পলাশ ইউপি সহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ত্রাণ বিতরণ চলছে।
অপরদিকে উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক জিয়াউল হক তুহিনের উদ্যোগে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বুধবার ও বৃহস্পতিবার ফতেপুর ইউনিয়নের বিশ্বম্ভরপুর, রায়পুর, বাহাদুরপুর, সোনাপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে চিড়া,গুড় শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বাদাঘাট (দ.) ইউপির আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল গণির উদ্যোগে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ইউনিয়নের ব্রজনাথপুর, সোনাপুর, দূর্গাপুর কান্দার হাটি, গুচ্ছগ্রামসহ বিভিন্ন বন্যা কবলিতদের মধ্যে চিড়া, চিনি শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
বন্যার পানি কিছুটা কমলেও বন্যা কবলিত এলাকায় মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। হাওর অঞ্চলে বেশির ভাগ বাড়িতে রান্নার চুলা পানিতে ভেজায় থাকায় খাবার তৈরিতে সমস্যা হচ্ছে। পানিবন্দি অবস্থায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় গবাধি পশুর গো-খাদ্যেও তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যায় ক্ষতির তুলনায় সরকারি ত্রাণ সাহায্য পর্যাপ্ত নয় বলে অনেকেই জানিয়েছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিএম ওয়ালিউল ইসলাম জানিয়েছেন, উপজেলার বন্যা কবলিত লোকজনের জন্য নগদ ৪০ হাজার টাকা ও ১০ মে. টন চাল সরকারিভাবে বরাদ্দ হয়েছে। বন্যা কবলিতদের মধ্যে ত্রাণ সাহায্য হিসাবে বিতরণ কাজ অব্যাহত রয়েছে।