বিশ্বম্ভরপুরে বিএনপি’র ২ গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৫

স্টাফ রিপোর্টার
বিশ্বম্ভরপুরে বিএনপি’র বিবদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়েছে। আহত ৩ জনকে বিশ্বম্ভরপুর এবং ২ জনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় এই ঘটনা ঘটে। ফের সংঘর্ষের আশংকায় উপজেলা সদরে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ উপজেলা সদরের প্রেসক্লাব চত্বরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রস্তুতি সভা ডাকেন। একই সময়ে উপজেলার নতুনপাড়া এলাকায় একই বিষয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সদস্য অ্যাড. আব্দুল হক পৃথক আরেকটি প্রস্তুতি সভা আহ্বান করেন।
বিকাল ৪ টা ২০ মিনিটে অ্যাড. আব্দুল হকের নেতৃত্বে কয়েকটি মোটর সাইকেলসহ নেতাকর্মীরা নতুন পাড়ায় যাওয়ার পথে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে হারুন সমর্থকরা পথ আটকায়। এসময় দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
আধাঘণ্টা ব্যাপি সংঘর্ষে অ্যাড. আব্দুল হক ও তার সমর্থক সেইকুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, শামীম আহমেদ ও সাদ্দাম হোসেন আহত হয়।
গুরুতর আহত হওয়ায় অ্যাড. আব্দুল হক ও সেইকুল ইসলামকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ বলেন,‘জেলা বিএনপির আহ্বায়কের পরামর্শ নিয়ে আমি শনিবার বিকালে সভা ডেকেছি। অ্যাড. আব্দুল হক একই সময়ে সভা ডাকেন। বিকাল সোয়া ৪ টায় অ্যাড. আব্দুল হকসহ তার সমর্থকরা আমার সভায় আক্রমণ চালাতে আসলে উত্তেজিত জনতা তাদের মারপিট করে। আমার একজন কর্মীর  সার্ট ও ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। আরেক কর্মীর মোটর সাইকেল পাওয়া যাচ্ছে না’।
অ্যাড. আব্দুল হক বলেন,‘আমিসহ আমার কর্মীরা আমাদের সভাস্থল নতুনপাড়ায় যাওয়ার পথে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে হারুন অর রশিদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা হামলা করে। আমার উপরও ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। আমাদের আরেকজন কর্মীকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে’। তিনি দাবি করেন, তারা হামলা করেছেন এমন কথা  প্রত্যক্ষদর্শী কেউ-ই বলবেন না।
এদিকে, একই সময়ে বিএনপি’র আরো একটি অংশ উপজেলার রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে পৃথক সভায় মিলিত হয়। ঐ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ছবাব মিয়া।