বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি
বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় আবারও বন্যা দেখা দিয়েছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সদর, ফতেপুর, দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়ন, পলাশ ইউনিয়ন বন্যার কবলে পড়েছে। এরমধ্যে ঢেউয়ে ফতেপুর, দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়ন, পলাশ ইউনিয়নের একাংশে কাচা ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যাচ্ছে। সদ্য বিদায় নেয়া একবারের বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠার আগে আবারও বন্যায় চরম বিপাকে পড়েছে মানুষজন। খাদ্য সংকটের পাশাপাশি গবাদিপশু নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে মানুষের। ঢেউয়ের ধাক্কায় উপজেলা সদরের কৃষ্ণনগর মন্দিরের চারপাশের মাটি সরে যাচ্ছে।
উপজেলার আভ্যন্তরীন সড়ক, হাট বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছে। উপজেলার সড়কগুলো বন্যার পানির তোড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বিশ^ম্ভরপুর সদর-বাজারের সড়কটি। উপজেলা সদর, কৃষ্ণনগর, গোপালপুর, মুক্তিখলা, মল্লিকপুর, শ্রীধরপুর, রায়পুর, বাহাদুরপুর, চান্দারগাঁও, বাঘমারা, ভাটিপাড়া, দুর্গাপুর, শক্তিয়ারখলা, প্যারীনগর, বাগগাঁও, ভাদেরটেক, চালবন্দ, রাধানগর, ধরেরপাড়, বিশ্বম্ভরপুর, সিরাজপুর সহ ৪০-৪৫ টি গ্রামের মানুুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পানিবন্দি মানুষজন বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভোগছেন। ঘরে পানি উঠে যাওয়ায় বেশীর ভাগ বাড়িতে রান্নাবান্না বন্ধ রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সমীর বিশ্বাস বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজ খবর রাখছি। বন্যায় কবলিতরা ২৩টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত ২৭৩টি পরিবার এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন। বন্যার্তদের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- শাল্লায় গৃহহীনদের ঘর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
- ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা


