বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের সভায় বক্তারা/ ‘আইন আছে, প্রয়োগ নেই’

স্টাফ রিপোর্টার
ধুমপান বর্তমানে তরুণ সমাজের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেশাগ্রস্ত, মাদকাসক্ত তরুণরা নিজেদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবিয়ে দিচ্ছে। রাস্তাঘাটে যারা ধুমপান করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। শহরের মুদি দোকানগুলোতে ধুমপানের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে। ১৮ বছরের নিচে কারও কাছে সিগারেট বিক্রি করা আইনগত অপরাধ। এসব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে।
‘তামাক নয়, খাদ্য ফলান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মহি উদ্দিনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসাইন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. শুকদেব সাহা, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বাদল চন্দ্র বর্মন, জেলা রেড ক্রিসেন্টের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মতিউর রহমান পীর, জেলা তথ্য অফিসার আব্দুস সাত্তার।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণের আইন থাকলে ও এর সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে না। সন্তানকে ধুমপান থেকে দূরে রাখতে পিতা মাতার ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পাশেই এইচ.এম.পি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবস্থান। স্কুলের টিফিনের সময় ও নামাজের সময় বেশির ভাগ ছাত্ররা এখানে এসে ধূমপান করে। স্কুলের ছাত্রদের এই আস্তানা ভাঙ্গতে হবে। ছাত্রদের ধূমপানের হাত থেকে রক্ষা করতে স্কুল কতৃর্পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে।
এদিকে দিবস উপলক্ষে সুনামগঞ্জ পৌরসভার আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রুবাল ডেভেলপমেন্ট এন্ড সোস্যাল ওয়েলফার এসোসিয়েশন নির্বাহী পরিচালক মো. মিজানুল হক সরকারের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র নাদের বখত। তিনি বলেন, সুনামগঞ্জ পৌর শহরকে তামাকমুক্ত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। তামাক বিক্রি করতে হলে প্রত্যেক দোকানীকে লাইসেন্স নিতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কালী কৃষ্ণ পাল, পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার পাল।
অপরদিকে দুপুর সাড়ে ১২টায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালি শেষে সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমওডিসি ডা. সনজিত রঞ্জন তালুকদার।