স্টাফ রিপোর্টার
‘দুধ পানের অভ্যাস গড়ি, পুষ্টির চাহিদা পূরণ করি’ শ্লোগানে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র্যালি বের হয়।
র্যালিতে জেলা প্রশাসক দিদারের আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী, জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. আহমদ হোসেন, জেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শামসুল করিম, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ পরিচালক ফরহাদ হোসেন, ছাতক উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইব্রাহিম মিয়া, শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুকুমার চন্দ্র দাস, দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জহুরুল হক, তাহিরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিব আহমদ, আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের সিনিয়র সহকারি পরিচালক ডা. মো. আব্দুল মমিন, জামালগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেনারী হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. আবুল কাশেম, দিরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেনারী হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. এফ.এম. বাবরা হ্যামলিন, জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেনারী হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. খালেদ সাইফুল্লাহসহ বিভিন্ন এলাকার দুগ্ধ খামারি, গরু মোটাতাজাকরণ খামারিরা অংশগ্রহণ করেন।
র্যালির পরে জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে দুধ পানের প্রয়োজনীয়তা ও উপকারীতা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, দুধ হল মানুষের জন্য একটি আদর্শ খাবার। দুধে ভিটামিন সি ছাড়া সব ধরনের ভিটামিন পাওয়া যায়। একজন মানুষের প্রতিদিন অন্তত ২৫০ মিলিগ্রাম দুধ খাওয়া প্রয়োজন। দুধ মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। তাই সুস্থ্য থাকার জন্য সবাইকে দুখ খেতে হবে।
সভায় জানানো হয়, সুনামগঞ্জ জেলায় ১ হাজার ১০ টি দুগ্ধ ও গরু মোটাতাজাকরণ খামার রয়েছে। এসব খামার থেকে দুধের পাশাপাশি গোবর ও মাংসের চাহিদা পূরণ হচ্ছে।


