স্টাফ রিপোর্টার
আজ ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। যাকে বলা হয় ‘আর্থ ডে’। পৃথিবীকে নিরাপদ এবং বসবাসযোগ্য রাখতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন প্রাকৃতিক দুর্যোগে জর্জরিত। এই ধরিত্রীকে রক্ষায় কার্বন নিঃসরণ কমানো, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় মানুষকে সচেতন হতে হবে। এমন প্রেক্ষাপটে প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এ দিবস পালিত হচ্ছে। পৃথিবীর প্রায় সব মানুষের জীবনযাপন যখন এক প্রকার থমকে আছে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের দাপটে, সে সময়ে এলো এবারের ধরিত্রী দিবস।
সর্বপ্রথম ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন ধরিত্রী দিবসের প্রচলন করেন। জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই কোটি মানুষ। সেই থেকেই দিবসটির সূত্রপাত।
১৯৯০ সালে ধরিত্রী দিবসের ২০ বছর পূর্তিতে আরেকটি বড় আন্দোলনের দেখা পায় পৃথিবী। সেবার বিশ্বজুড়ে প্রায় ২০ কোটি মানুষ একযোগে দিবসটি পালন করেন। দিবসটি এখন আর্থ ডে নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে ১৯৩টির বেশি দেশে পালিত হয়।
সাম্প্রতিক দশকগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আন্দোলন এবং আলোচনা পৃথিবীজুড়েই চলছে। অনেক দেশ নিয়েছে অনেক কার্যকর উদ্যোগ। বিপরীতে, উদাসিনতার দায়ে কোনো কোনো প্রভাবশালী দেশ হয়েছে সমালোচিত।
বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারণে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই শিল্প-কারখানাসহ প্রায় সব ধরনের কল-কারখানা, যানবাহন বন্ধ থাকায় ইতোমধ্যেই উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমেছে পরিবেশ দূষণ। ফলে মানবজাতি এক বিপণ্ন সময়ের মুখোমুখি হলেও ধরিত্রী এক ধরনের হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে বলে মনে করছেন অনেক পরিবেশবিদ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, করোনাভাইরাস অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত মানুষের। এ পৃথিবীকে বাস-উপযোগী রাখতে সকলেরই যথাযথ ভূমিকা রাখা উচিত।


