‘ব্যাংকে লালবাতি জ্বললে সেটা জাতীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়’

সু.খবর ডেস্ক    
কোনো এক ব্যাংকে ‘লাল বাতি’ জ্বললে সেটা সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘একটি ব্যাংক বন্ধ হলে, কোনো ব্যাংকে লাল বাতি জ্বললে সেটা শুধু একটি ব্যাংকেই সীমাবদ্ধ থাকে না, এটা জাতীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য আমরা বিভিন্ন সময় ব্যাংকগুলোকে সহায়তা করে থাকি।’ শনিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকের অবস্থা পর্যালোচনা: চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার উপায়’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।  কর্মশালার আয়োজন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিভিন্নভাবে রাষ্ট্রীয় ব্যাংককে সহায়তা করে থাকি, যাতে তারা পরবর্তী সময়ে মুনাফা করতে পারে। কারণ কোনো একটি ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা জাতীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।’
মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৪৯ সালে একটি ব্যাংক লাটে গিয়েছিল। এরপর আর কোনো ব্যাংক এখনো এই উপমহাদেশে লাটে যায়নি। তখন আমি ছাত্র ছিলাম। আমার স্কলারশিপের কিছু টাকা সেই ব্যাংকে রেখেছিলাম। সেই সময় আমি ভুক্তভোগী, আমার টাকা তখন লস হয়।’
মুহিত বলেন, ‘কোনো লোন দিলে সেটা যেকোনো লোনই হোক ব্যাংকিং সিস্টেমের সবাই এটাকে ডিফল্ট করতে চায়। প্রথম লোন দেয়ার পর থেকেই প্রত্যেক ব্যাংকারই চায় যাকে সে পয়সা দেবে সে শুরুতেই ডিফল্ট হয়ে যাবে। ডিফল্ডার হলে সে কব্জায় আসবে। এরকম একটা চিন্তা থাকে। এটা সম্পর্কে আমাদের সচেতন হওয়া দরকার।’
কর্মশালায় আরও উপস্থিত আছেন, অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ বাংকের গভর্নর ফজলে করিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন।
কি-নোট পেপার উপস্থাপন করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান। তিনি তাতে ব্যাংকব্যবস্থার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।