Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
ভাড়ার টাকা কার পকেটে? – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

ভাড়ার টাকা কার পকেটে?

স্টাফ রিপোর্টার
শহীদ মিনারের সামনের দুই অংশের দু’টি গার্ড রুমের ভাড়ার টাকা আদায় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ভেতরে পানি জমে থাকায় ওই রুম দু’টির ভাড়ার টাকা কে নেন ও কোন খাতে সেই টাকা খরচ করা হয় এসব বিষয়ে প্রশ্ন তোলছেন সাধারণ মানুষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শহীদ মিনারের সামনের দুইটি রুম ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে অর্থ আদায় করছেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট। প্রতি রুম থেকে মাসে সাড়ে ৩ হাজার টাকা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
জানা যায়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের পর সামনের দুই পাশে দুইটি গার্ড রুম তৈরি করা হয়েছিল নিরাপত্তাকর্মীদের থাকার জন্য। একসময় নিরাপত্তকর্মী থাকা বন্ধ হয়ে যায়। এর পর থেকে ওই দুইটি গার্ড রুমকে দোকান কোঠা হিসাবে ভাড়া দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে একটিতে কাপড়ের দোকান ও অন্যটিতে ইলেকট্রনিকস জিনিসপত্র ও মেরামতের দোকান চলছে। প্রতিটি রুম বর্তমানে সাড়ে ৩ হাজার টাকা করে ভাড়া দেয়া হচ্ছে। অথচ ওই টাকা দিয়ে শহীদ মিনারের উন্নয়ন বা সংস্কার কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিত্যক্ত থাকার পর সুনামগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে ভেতরের অংশ পাকা করে উঁচু করা হয়েছে। কিন্তু ভাড়া আদায়কারী প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষ ভাড়ার টাকা দিয়ে কোন উন্নয়ন করছেন না।  
জেলা জাসদের (আম্বিয়া-প্রধান) সাধারণ সম্পাদক সালেহিন চৌধুরী শুভ বলেন,‘ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ব্যবস্থাপনা কার দায়িত্বে এটা আমরা জানি না। শহীদ মিনারের সামনের দুইটি দোকান কোঠা ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে টাকা আদায় করা হলেও এর সংস্কার বা কোন উন্নয়ন আমরা দেখতে পাইনি। সবারই প্রশ্ন ভাড়ার টাকা কোথায় যায় ?
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিটের কমান্ডার নুরুল মোমেন বলেন,‘ আগে ভাড়া অনেক কম ছিল, এই বছর থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা করা হয়েছে। ভাড়ায় টাকায় আমরা প্রতি বছরই শহীদ মিনারের রং করি ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে থাকি। কিছু টাকা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কাজে ব্যয় করা হয়। শহীদ মিনারের পূর্ব দিকের ব্যাংকের পাশের জায়গাটুকু শহীদ মিনারের নামে আমার জন্য চেষ্টা চলছে। ’
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের দোকানকোঠা ভাড়া দিয়ে অর্থ আদায় করে সংস্কার না করার প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন,‘ বিষয়টির খোঁজ খবর নিয়ে দেখা হবে।’