সু.খবর ডেস্ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুর ও তার অনুসারীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে ডাকসু ভবনে হামলার এ ঘটনা ঘটে। এতে নুরসহ ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দাবি, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন।
তবে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতার্মীদের দাবি, নুর এবং তার অনুসারীরা ৬ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। এ কারণে তারাও নুরদেরকে মারধর করেছেন।
প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে রাষ্ট্রপতি বরাবর গ্রামীণফোনের আইনি নোটিশের প্রতিবাদে রাজু ভাষ্কর্যে মানববন্ধন করে ডাকসু ভবনের দিকে আসেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এ সময় ভিপি নুরু কয়েকজনকে নিয়ে ডাকসু ভবনে প্রবেশ করছিলেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এরপর নুর তার সঙ্গীদের নিয়ে ডাকসু ভবনে নিজের কক্ষে চলে যান। এসময় ডাকসু ভবনের সামনে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজীত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন এবং তাদের অনুসারীরা। এক পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ এবং ছাত্রলীগের কর্মীরা ডাকসু ভবনের দিকে ইট নিক্ষেপ করতে থাকলে ভবনের কর্মীরা মূল গেটে তালা লাগিয়ে দেন।
এক পর্যায়ে গেট খুলে দেওয়া হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ভিপি নুরের কক্ষে প্রবেশ করেন। কথোপকথনের মধ্যেই নুরুর সমর্থকদের মারধর শুরু করেন ছাত্রলীগের দুই নেতার সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা।
একপর্যায়ে সঞ্জিত ও সাদ্দাম ওই কক্ষ থেকে থেকে বেরিয়ে এলে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ ডাকসু ভবনে প্রবেশ করে। সেখানে তারাও নুরসহ অন্যদেরকে মারধর শুরু করেন। ভিপির কক্ষের লাইট নিভিয়ে মারধর করেন তারা। এতে ভিপি নুর, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, যুগ্ম আহবায়ক রাশেদ খান, ফারুক হাসানসহ ১৩ জন আহত হন।
ঘটনার বেশ কিছুক্ষণ পর প্রক্টরিয়াল টিম গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। তারা আহতদের অ্যাম্বুলেন্স এবং রিকশায় হাসপাতালে নিয়ে যান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন জানান, হাসপাতালে ভর্তি আহত ১৫ থেকে ২০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র : সমকাল
- বঙ্গবন্ধু পরিবারের আর কেউ রাজনীতিতে আগ্রহী নন -কাদের
- রাজাকারের তালিকা তৈরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর


