ভোটারদের মন জয় করতে পেরেছিলেন মুকুট

স্টাফ রিপোর্টার
নির্বাচনী প্রচারণায় আগে নামা, সকল প্রার্থীদের সমর্থন আগে থেকে নিজের পক্ষে নেওয়া এবং আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকদের নিজের পক্ষে রাখায় নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই ভাল অবস্থানে ছিলেন নুরুল হুদা মুকুট।
সর্বশেষ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আয়ুব বখ্ত জগলুলসহ দলীয় অনেক দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ প্রকাশ্যে তাঁর পক্ষে প্রচারণায় নামায় জেলাজুরে নুরুল হুদা মুকুটের পক্ষেই জোয়ার সৃষ্টি হয়।
ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমনকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণা করা হলেও জেলার ১৬ টি উপজেলা পর্যায়ের সাংগঠনিক ইউনিটগুলোর মধ্যে ২-৩ টি ইউনিট ছাড়া বেশিরভাগ ইউনিটই ব্যারিস্টার ইমনের পক্ষে সক্রিয় ছিলেন না।
প্রচারণার শুরুতেই নুরুল হুদা মুকুট যেভাবে জেলাজুরে নিজের পক্ষে নেতা-কর্মীদের যুক্ত করেছিলেন ব্যারিস্টার ইমন সেটি পারেননি। এছাড়া মুকুট স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় আওয়ামী লীগ ছাড়াও অন্যান্য দলের সমর্থক জনপ্রতিনিধিদের বেশিরভাগেরই সমর্থন পেয়েছেন তিনি।
দীর্ঘদিন জেলায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেওয়ায় নুরুল হুদা মুকুটের যেভাবে দলীয় নেতা-কর্মী ও জনপ্রতিনিধির সঙ্গে মিশতে পেরেছেন, ভোট চেয়েছেন, ব্যারিস্টার ইমন সেটি পারেননি।
নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই  আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা যেমন বিভক্ত হয়ে অনেকেই ছিলেন নুরুল হুদা মুকুটের পক্ষে। তেমনি যুবলীগ, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরাও ছিলেন বিভক্ত।
শেষ মুহূর্তে দলীয় সংসদ সদস্যরা কৌশলে ব্যারিস্টার ইমনের পক্ষে বললেও জনপ্রতিনিধি ভোটারদের অনেকেই মুকুটকে আগে থেকেই কথা দিয়ে রেখেছিলেন, আবার কারো কারো মানসিক সমর্থন ছিল মুকুটের পক্ষেই। নুরুল হুদা মুকুট একেক ভোটারের কাছে স্বশরীরে একাধিকবার পৌঁছেছেন, ব্যারিস্টার ইমনের সেভাবে পৌঁছানো হয়নি। সব মিলিয়ে ভোটারদের মন জয় করতে পেরেছিলেন মুকুট।