আশিক মিয়া, দোয়ারাবাজার
দোয়ারাবাজার উপজেলার নদী ভাঙ্গন একটি ভয়ংকর নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে উপজেলাবাসির জন্য। অব্যাহত নদী ভাঙ্গনের কারণে উপজেলা পরিষদের কার্যালয়, প্রশাসনিক ভবন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বাসভবন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাস ভবনসহ আশপাশ গ্রামের অবশিষ্ট বসত বাড়িগুলো রয়েছে অধিক ঝুঁকির মধ্যে। ইতিমধ্যে ছাতক দোয়ারার তিনটি স্থানে সড়কে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল যোগাযোগের একমাত্র রাস্তাটি। উপজেলাবাসী দীর্ঘ দিন ধরে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে মানববন্ধন কর্মসুচিসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আন্দোলন করে আসছে । নদী ভাঙ্গনে ইতিমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে উপজেলার কয়েকটি গ্রামের শতাধিক বাড়িঘর। বিলীন হয়েছে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ীর দোকান পাট। ভাঙ্গনের কবলে নিঃস্ব হয়ে খাস জায়গা সহ সরকারি সড়কের পাশে বসবাস করছে প্রায় অর্ধ শতাধিক পরিবার। প্রায় শতাধিক পরিবার অন্যত্র ছলে গেছেন। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে মাদ্রাসা মসজিদ খাদ্যগুদাম সহ রাস্তাঘাট।
নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো.তাজুল ইসলাম বলেন, ইতিপুর্বে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে যে ৬ লক্ষ টাকার কাজ করা হয়েছে তা থেকে কাজের ঠিকাধার পকেট ভারি করেন বরাদ্দের অর্ধেক টাকা দিয়ে। বাকী অর্ধেক টাকার কাজ হয়েছে বলেও মনে হয় না।
সুরমা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধের ব্যাপারে দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক বলেন, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধের জন্য কাজের এস্টিমেট অনুযায়ী প্রায় ৩০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর এলাকায় ভাঙ্গন প্রতিহত করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ৬ লক্ষ টাকার সিমেন্ট-বালু ভর্তি বস্তা ফেলা হয়েছে।


