Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
মহিলা কলেজের অতিরিক্ত ছাত্রী নিবাসটি সরকারি কলেজে নির্মাণ করা হোক – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

মহিলা কলেজের অতিরিক্ত ছাত্রী নিবাসটি সরকারি কলেজে নির্মাণ করা হোক

গতকাল দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরে প্রকাশিত একটি সংবাদ থেকে জানা যায়, সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের ২ টি ছাত্রী নিবাস তৈরির জন্য বরাদ্দ দেয়া হলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ জায়গা দিতে না পারায় ১ টি ছাত্রী নিবাসের টাকা প্রত্যাহৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জায়গার কারণে বাস্তবায়িত করতে না পারা এই ১টি ছাত্রী নিবাস শহরের সবচাইতে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে ছাত্রাবাস হিসাবে নির্মাণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ। কলেজ অধ্যক্ষ নীলিমা চন্দ সম্প্রতি এ বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের সাথে দেখা করে অতিরিক্ত হয়ে যাওয়া ওই ১টি ছাত্রী নিবাসের অর্থ সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের ১ টি ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয়ার আবেদন দাখিল করেছেন। কলেজ অধ্যক্ষ তাঁর আবেদনে উল্লেখ করেছেন, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে একাদশ থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত ১১ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে এতো বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ছাত্রাবাস নেই। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য কলেজের দুইটি ছাত্রীনিবাস থাকলেও ছাত্রাবাস না থাকার কারণে ছেলে শিক্ষার্থীরা তীব্র আবাসন সংকটে রয়েছেন। সংবাদে পরিবেশিত তথ্য থেকে জানা যায়, সরকার পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ ডেভেলপম্যান্ট প্রজেক্টের আওতায় সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের একটি ১০ তলা একাডেমিক ভবনের জন্য অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি দুইটি ছাত্রী নিবাসের জন্য পৃথক অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। মহিলা কলেজের মূল ক্যাম্পাসে একাডেমিক ভবনের জায়গা দেয়া হয়েছে, সেখানে আরেকটি ছাত্রী নিবাস তৈরির জায়গা নেই। মহিলা কলেজের বর্ধিত ক্যাম্পাস পুরনো জেলখানায় একটি ছাত্রী নিবাস তৈরির মতো জায়গা রয়েছে তাই কলেজ কর্তৃপক্ষ ওইখানে একটি ছাত্রী নিবাস তৈরির জায়গা দিয়েছেন। এরকম অবস্থায় অন্য আরেকটি ছাত্রী নিবাসের অর্থ প্রায় ৪ কোটি টাকা এখন ফেরৎ যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্ণিত প্রেক্ষাপটে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠানের ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য যে প্রস্তাব দিয়েছেন সেটিকে আমরা অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত বলে মনে করি।
১১ হাজার ছাত্র-ছাত্রীর সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে কোনো ছাত্রাবাস না থাকার বিষয়টি লজ্জাজনক। অন্যদিকে জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকটে পড়ে প্রচুর দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছেন। এখন যেহেতু একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে আমরা মনে করি তার সদ্ব্যবহার করা উচিৎ। মহিলা কলেজের জন্য বরাদ্দকৃত ২টি ছাত্রী নিবাসের ১ টি সরকারি কলেজে নির্মাণ করা হলে এজন্য পৃথক কোনো অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হবে না। দরকার হবে শুধু বরাদ্দপত্রে একটু সংশোধন। কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে সংশোধনের এই কাজটুকু সহজেই করে দিতে পারবেন। যেহেতু পরিকল্পনামন্ত্রীর কান পর্যন্ত কথাগুলো গেছে আমাদের বিশ্বাস তিনি ভালটাই করবেন। জেলার বরাদ্দ তিনি অন্যত্র ফেরৎ নিয়ে যেতে দিবেন না। সুনামগঞ্জের উন্নয়নের বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী অতিশয় আন্তরিক। তাঁর আন্তরিকতা ছাড়া মহিলা কলেজে ১০ তলা একাডেমিক ভবন বা ছাত্রী নিবাস কোনোটার জন্যই বরাদ্দ পাওয়া কষ্টকর হয়ে উঠত। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষকে পরিকল্পনামন্ত্রীর মাধ্যমেই বরাদ্দ সংশোধনের বিধিগত কার্যাদি সম্পন্ন করতে উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। আমরা আশা করি কলেজ কর্তৃপক্ষ এই সুবর্ণ সুযোগকে কাজে লাগাতে সক্ষম হবেন।
পরিকল্পনামন্ত্রীকে আমরা বিনয়ের সাথে অনুরোধ করব উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রকল্প কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে জায়গার অভাবে মহিলা কলেজে যে ছাত্রী নিবাসটি করা সম্ভব হবে না সেটি যেন সরকারি কলেজে ছাত্রাবাস হিসাবে স্থাপন করার ব্যবস্থা তিনি করে দেন। এটি করা হলে সরকারি কলেজের দূরাগত দরিদ্র ছাত্রদের আবাসন সমস্যার কারণে উচ্চশিক্ষা প্রাপ্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হবে না।