মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

স্টাফ রিপোর্টার
ঈদ বাজারে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। শহরের প্রতিটি শপিং মলে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ঈদের কেনাকাটা করতে দলে দলে প্রবেশ করছেন বিভিন্ন দোকানে। দুরত্ব বজায় রাখছেন না কেউ। মুখে মাস্কও পড়ছেন না অনেকে। ঈদ বাজারে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন সচেতনমহল।
শহরের বিভিন্ন স্থানের শপিং মলে গত তিন দিনই ছিল লোকে লোকারণ্য। শহরের সড়ক পথে দলে দলে মানুষের সমাগম হতে দেখা গেছে। বেশিভাগ মানুষের মুখে মাস্ক থাকলেও বিভিন্ন স্থানের ফুটপাত দিয়ে গায়ে গায়ে লেগে চলতে হয়েছে। ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় ফুটপাতের রাস্তায়, কালী বাড়ি পয়েন্টের ফুটপাতের রাস্তায়, ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে পৌরবিপনী হয়ে পুরাতন কোর্ট এলাকা পর্যন্ত মানুষের সমাগম ছিল বেশি। এদিকে ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে সুরমা মার্কেট ও জগন্নাথবাড়ি রোড এবং মধ্যবাজারের সড়ক ও বিভিন্ন দোকানপাটে মানুষের সমাগম বেশি ছিল। সব রাস্তায় ক্রেতাদের ভিড়ে সাধারণ যানবাহন চলাচলে বিঘœ ঘটেছে। তবে সকল পয়েন্টে যানজট কমিয়ে আনতে পুলিশের ভূমিকাও ছিল।
ক্রেতা আব্দুল আলী বলেন, বাঙালির বুদ্ধির সাথে পেরে উঠা কঠিন। মুখে মাস্ক পরে ধাক্কা ঠেলা দিয়ে শহরে চলেন। যেন করোনা বলতে কিছু নেই। বাজারে তিন মার্কেটে গিয়ে ফিরে এসেছি কিছু কিনতে পারিনি, মেয়ে ও মহিলাদের সমাগম বেশি।
ক্রেতা ইমদাদ হোসেন বলেন, স্বাস্থ্য বিধি না মেনে ঈদের বাজার করছে দলে দলে মানুষ। বাজারের সাথে হয়তো বা করোনার জীবাণুও নিয়ে যাচ্ছে বাড়িতে। বেশি ব্যস্ততা খারাপের লক্ষণ।
বাজারে আসা ক্রেতা প্রবীণ আব্দুর রহিম বলেন, বাজারে ঈদের জামা কাপড়ের দাম বেশি। কিন্তু মানুষ দাম কষতে রাজি না। মহাজন অল্প দাম কমালে কিনে নিয়ে যায় জামা-কাপড়। আমি চলে যাচ্ছি বাড়িতে সুস্থ থাকতে।
কাপড়ের ব্যবসায়ী সজল দাস বলেন, আমরা বার বার বলে আসছি ফাঁক ফাঁক করে বসেন, মাল দেখে শুনে পছন্দ করেন। কিন্তু ক্রেতারা তা বুঝতে রাজি না। তাড়াহুড়া করে মাল কিনে নিয়ে যান। মালামাল বিক্রি ভাল হচ্ছে।