মানুষের কবি নজরুল

কুমার সৌরভ
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান  কবি কাজী নজরুল ইসলামের আজ ১১৮ তম জন্মবার্ষিকী। তাঁর জন্ম ২৫ মে ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ, মৃত্যু ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দ। ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে কবি অসুস্থ হয়ে বাকশক্তিরহিত হয়ে যান। অপ্রতুল চিকিৎসা সুবিধার কারণে প্রাথমিক পর্যায়ে কবির সুস্থতা অর্জিত হয়নি। অনেক পরে ১৯৫৩ সনে তাঁকে চিকিৎসার জন্য লন্ডন পাঠানো হয়। সেখানে ধাপে ধাপে বিভিন্ন চিকিৎসকরা অসুস্থ কবির নানা পরীক্ষা নীরিক্ষা করে এই পর্যায়ে এটি দূরারোগ্য হয়ে গেছে বলে অভিমত প্রকাশ করেন। চিকিৎসকদের মতে, কবি পিকস ডিজিজ নামক নিওরন ঘটিত সমস্যায় ভোগছিলেন। ওই রোগে আক্রান্তদের মস্তিস্কের সামনের ও পার্শ্বীয় অংশের লোব সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে অসুস্থ কবি আবার ভারতবর্ষে ফিরে আসেন ওই বছরই। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু মহান এই কবিকে জাতীয় কবির স্বীকৃত প্রদান করেন। এবং ২৪ মে ১৯৭২ তারিখে তিনি কবিকে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। এরপর আমৃত্যু কবি বাংলাদেশই ছিলেন। কবির জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে। কাজী ফকির আহমদ ও জাহেদা খাতুন তাঁর বাবা ও মা। কবির বাল্যকাল নিতান্তই দুঃখে-কষ্টে বিভিন্ন স্থানে কাজ কর্ম করে অতিবাহিত হয়েছে। ১৯২১ সনে কুমিল্লার বিরজা সুন্দরী দেবীর কন্যা প্রমীলা দেবীর সাথে কবির বিয়ে হয়। কবির মূল লেখালেখির সূত্রপাত ঘটে মূলত ১৯২০ খ্রিস্টাব্দ থেকে। এর আগে ১৯১৭-১৯২০ সন পর্যন্ত কবি সৈনিকের চাকুরি করেছেন। সৈনিক জীবনেও তিনি বেশ কিছু গান, কবিতা ও আত্মকাহিনীমূলক রচনা লিখেছিলেন। কবির রাজনৈতিক চেতনা নানা ব্যক্তি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। ভারতের বিখ্যাত কমিউনিস্ট নেতা মুজাফফর আহমদের অসামান্য প্রভাব পড়েছে তাঁর উপর। ১৯১৭ সনের রুশ বিপ্লব ও তুরস্কে কামাল আতাতুর্কের বিপ্লব সংঘটনের বিষয়টি কবিকে ভীষণভাবে আলোড়িত করে। মোজাফফর আহমদের সাথে দীর্ঘদিন একত্রে বসবাস এবং তাঁদের মধ্যে পরম সখ্যতা থাকা সত্বেও কবি কখনও কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ গ্রহণ করেননি। তবে সাম্যবাদের আদর্শ তাঁকে আকৃষ্ট করেছিল দারুণভাবে। কারণ তিনি যে শ্রেণি থেকে উঠে এসেছিলেন সেখান থেকে মুক্তির অন্যতম উপায়রূপে তিনি সাম্যবাদকেই অধিক গ্রহণীয় মনে করতেন। তাঁর কাব্যপ্রকাশে এর পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনের বঙ্গানুবাদ  ‘জাগ অনশন বন্দী ওঠ রে যত’ সম্পন্ন করেন এই বিশ্বাসদ্বারা তাড়িত হয়েই।
কবি নিজে নাস্তিক ছিলেন না। তাঁর সাহিত্যসমগ্রের কোথাও নাস্তিকতার প্রমাণ মিলবে না। তবে তিনি সর্বাবস্থায় ধর্মের নামে ভ-ামী, কুসংস্কার, হিংসা, হানাহানি- এসবের বিরোধী ছিলেন প্রচ-ভাবে। তিনি প্রচ- মানবিক ছিলেন। মানুষে-মানুষে ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণী, এসব বিভক্তিকে ঘৃণা করতেন।  তিনি মানুষের ভিতরে যে অফুরন্ত সৃজনশীলতার ভা-ার রয়েছে তার জাগরণ কামনা করেছেন।  ‘মানুষ’ কবিতায় তিনি এমনই বলেছেনÑ ‘গাহি সাম্যের গানÑ/মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান।/নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি, সবদেশে সবকালে ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জাতি।’। অর্থাৎ কবি মানুষকে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান বা সাদা-কালো, বাঙালি-ইংরেজ, ধনী-দরিদ্র নয় কেবল এক ও অভিন্ন মানুষ হিসাবেই দেখতে চেয়েছেন। আজ আমরা এই মানুষের নজরুলকে খোঁজার সামান্য চেষ্টা করব।  
কবির জীবৎকাল (১৮৯৯-১৯৭৬) ৭৭ বছরের হলেও তাঁর সাহিত্য সাধনাকাল ছিল (১৯২০-১৯৪২) মাত্র ২২ বছরের। কবির সম্পূর্ণ জীবনকালে ব্রিটিশ সা¤্রাজ্য ভেঙে ভারত-পাকিস্তানের উদ্ভব এবং আরও পরে স্বাধীন বাংলাদেশর অভ্যুদয় ঘটলেও বাক ও স্মৃতিশক্তি  রহিত থাকায় এসবে কবির কোন প্রতিক্রিয়া ছিল না। কবি সচেতন ছিলেন শুধু ব্রিটিশ পরাধীন কালে। সেই পরাধীনকালের যন্ত্রণা ও যন্ত্রণাবোধ থেকে উদ্ভূত বিদ্রোহের নানা প্রকাশ ছিল তাঁর কাব্যে।  যে কবি যুগযন্ত্রণাকে নিজ সৃষ্টিতে ধারণ করতে পারেন না যিনি সমকালে মানুষকে পথের দিশা দেখাতে পারেন না তিনি কখনও মহৎ অভিধায় অভিষিক্ত হন না। নজরুল সেটি পেরেছিলেন বলেই মহৎ । কালের সীমা পেরিয়ে কালোত্তীর্ণ হতে পেরেছেন তিনি।
নিজের বিদ্রোহ-বিশ্বাসকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন তিনি প্রাণে প্রাণে এই বলে, ‘পরোয়া করি না বাঁচি বা না-বাঁচি যুগের হুজুগ কেটে গেলে,/ মাথার উপর জ্বলিছেন রবি, রয়েছে সোনার শত ছেলে।/ প্রার্থনা করো-যারা কেঁড়ে খায় তেত্রিশ কোটি মুখের গ্রাস,/ যেন লেখা হয় আমার রক্ত-লেখায় তাদের সর্বনাশ।’(আমার কৈফিয়ত)। কবির যুগ গেছে, কিন্তু সেই যুগের হুজুগ কি গেছে?  আজও কি ‘যারা কেড়ে খায়’ গোষ্ঠী সমাজ সংসার থেকে বিতাড়িত হয়েছেন? হননি, আরও তীব্রভাবে জেঁকে বসেছেন অক্টোপাসের মতো। সুতরাং কবি সেই যে বিদ্রোহী কবিতায় শপথ নিয়েছিলেন-‘যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,/অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না-/ বিদ্রোহী রণক্লান্ত/ আমি সেইদিন হব শান্ত।’ (বিদ্রোহী), সেই শপথ কি একালের নজরুলদের পালন করতে হবে না?
নজরুল নিজে ধর্মীয় উন্মাদনার বিপক্ষে ছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সেই নজরুলকে কূপম-ুকরা সাম্প্রদায়িক মোড়কে ঢোকানোর চেষ্টা করেছিল । বেশি করেছিল পাকিস্তানি আমলে, এখনও আছে সেই প্রচেষ্টা। তারা কবি নজরুলকে ধর্মীয় গ-িতে আটকে রাখতে চেয়েছিলো, কিন্তু সেই প্রয়াস সফল হয়নি, যেমন সফল হয়নি বাঙালি মানস থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মুছে দেওয়ার অপচেষ্টা। নজরুলের বিবেচনায় ঈশ্বর হচ্ছেন, ‘সকলের মাঝে প্রকাশ তাঁহার, সকলের মাঝে তিনি।/ আমারে দেখিয়া আমার অদেখা জন্মদাতারে চিনি।’ এর মতো এক পবিত্র অস্তিত্ব।  নজরুল সমাজের ধর্মীয় বিভেদ দেখে পীড়িত ছিলেন, তিনি চাইতেন এর অবসান, তাঁর মনোলোকে ছিল এক অসাম্প্রদায়িক চেতনার আলো। বার বার এই আকুতি জানিয়েছেন তিনি কবিতার পঙক্তিতে । ‘অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া, জানে না সন্তরণ,/কা-ারী! আজ দেখিব তোমার মাতৃমুক্তি-পণ!/ ‘হিন্দু না ওরা মুসলিম?’ এই জিজ্ঞাসে কোনজন?/ কা-ারী! বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার।’ (কা-ারী হুশিয়ার)। এমন কবিকে মোড়কাবৃত করা ¯্রফে মুর্খামি নয় কি? ধর্মকে আজ নানাভাবে নীপিড়ণের বিষয়বস্তুতে পরিণত করা হচ্ছে। ধর্মীয় পরিচয়ে নিগ্রহের শিকার হচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বীরা। আমাদের প্রিয় দেশটিও এর বাইরে নয়। আল-কায়েদা, বোকা হারাম, আইএস এমন নাম দিয়ে ধর্মীয় আদর্শ বাস্তবায়নের  তথাকথিত ঘোষণা দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন। এরা আজ বিশ্ব সভ্যতার বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্ব শান্তি বিপন্ন। যারা এর বিরোধিতা করছে সেই আন্তর্জাতিক সা¤্রাজ্যবাদী শক্তির ভূমিকা রহস্যাবৃত। সা¤্রাজ্যবাদ যদি এই গোষ্ঠীকে অস্ত্রসম্ভার না দেয় তাহলে তারা বিপুল রণসামগ্রী পায় কোথায়? আমাদের জানা মতে কোন ইসলামী রাষ্ট্র তো ভারী অস্ত্র তৈরি করে না। দুইয়ে দুইয়ে চারের মতো যে ইক্যুয়েশন মিলে যায় সেটি হলো, সা¤্রাজ্যবাদের রক্ষাকবচ অস্ত্রব্যবসাকে  সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতেই কি আজ এতসব সন্ত্রাসী সংগঠন তৈরি করা হয়েছে? নজরুল ‘মানুষ’ কবিতায় যেমন বলেছিলেন, ‘তব মসজিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী।/মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী।’ সেই চাবিওয়ালা সা¤্রাজ্যবাদকে চিহ্নিত করা তাই আজ খুব জরুরি। নতুবা ধর্ম ব্যবহারের  মাধ্যমে অধর্মের রাজত্ব কেবলই দীর্ঘতর হবে।
নারীশক্তিকে তিনি পুরুষশক্তির সমান্তরাল বিবেচনা করতেন। নারীর অধস্তন অবস্থা তাকে সংক্ষুব্ধ করেছে বারবার। নারীমুক্তির জন্য তিনি নারীদেরকেই প্রতিবাদী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ নারীদের সৌন্দর্য কিংবা কমনীয়তা নিয়ে যে ব্যবসায়বৃত্তি পরিচালিত হচ্ছে সেখান থেকে সম্পূর্ণ মানুষের অধিকারে শৃঙ্খল ভাঙার আহ্বান জানিয়েছেন কবি। ‘বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর/ অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।’ নারী কবিতায় কবি এই স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি নারীদের প্রতি তিনি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন এই বলে যেÑ‘স্বর্ণ-রৌপ্য অলঙ্কারের যক্ষপুরীতে নারী/করিল তোমায় বন্দিনী, বল, কোন সে অত্যাচারী?/ আপনারে আজ প্রকাশের তব নাই সেই ব্যাকুলতা,/ আজ তুমি ভীরু আড়ালে থাকিয়া নেপথ্যে কও কথা।/ চোখে চোখে আজ চাহিতে পারে না, হাতে রুলি, পায়ে মল,/ মাথার ঘুমটা ছিঁড়ে ফেল নারী, ভেঙে ফেল ও-শিকল।/ যে ঘোমটা তোমা’ করিয়াছে ভীরু, ওড়াও সে আবরণ,/ দূর করে দাও দাসীর চিহ্ন, যেথা যত আভরণ!’। নারী অধিকার কিংবা নারীর ক্ষমতায়নে ব্রতী সামাজিক শক্তিগুলো কবির এই আহ্বান যত বেশি আত্মস্থ করতে পারবেন তত মঙ্গল হবে জনসংখ্যার অর্ধাংশ ‘নারী’ নামক মানুষের।
সামন্ততন্ত্র বিদায় হয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু রয়ে গেছে সামন্তাবশেষ। আমাদের মন মানসিকতায় সেটির প্রবল প্রকাশ। ব্যক্তির পেশা, বিত্ত, জাত এমনসব বিষয়ে আমরা এখনও উন্নাসিক। নজরুল এই বৈষম্য দূর করার আকুতি জানিয়েছিলেন। রেলস্টেশনে কোন এক বাবুসাব জনৈক কুলিকে ঠেলে ফেলে দেওয়ায় তাঁর বিপন্নœ আত্মা কেঁদে উঠে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিল সুতীক্ষè বর্ষার ফলার মতো করে- ‘এমনি করিয়া কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল?’। তিনি বারঙ্গনার দুঃখে আপ্লুত হয়েছিলেন-‘জারজ কামজ সন্তানে দেখি কোন যে প্রভেদ নাই।/ অসতী মাতার পুত্র সে যদি জারজ-পুত্র হয়,/ অসৎ পিতার সন্তানও তবে জারজ সুনিশ্চয়।’ (বারঙ্গনা)।  দারিদ্রতার নির্মমতায় কবির কোমল প্রাণ ব্যথাতুর হয়- ‘পারি নাই বাছা মোর, হে প্রিয় আমার,/ দুই বিন্দু দুগ্ধ দিতে!-মোর অধিকার/আনন্দের নাহি নাহি! দারিদ্র অসহ/ পুত্র হয়ে জায়া হ’য়ে কাঁদে অহরহ’। মানুষের জন্য এতো গভীর ভালবাসা যার অন্তওে সঞ্চিত তাঁকে মানুষের কবি ভিন্ন আর কীছু বলার অবকাশ থাকে কি?
হিং¯্র সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা একদিকে কবিকে পীড়িত ও ক্ষুব্ধ করেছে তেমনি তিনি প্রচ- আশাবাদী এই দাঙ্গায় লিপ্ত বাঙালি হিন্দু-মুসলমানের অন্তর্গত অভিন্ন চেতনার উন্মেষের বিষয়ে। এরকম বিশ্বাসবোধ থেকেই তিনি বলতে পারেন, ‘যে-লাঠিতে আজ টুটে গম্বুজ, পড়ে মন্দির চূড়া,/সেই লাঠি কালি প্রভাতে করিবে শত্রু-দূর্গ গুঁড়া।/ প্রভাতে হবে না ভায়ে-ভায়ে রণ,/চিনিবে শত্রু, চিনিবে স্বজন।’ (হিন্দু-মুসলিম যুদ্ধ)।  তাঁর এই আত্মবিশ্বাস কোন তত্ত্ব উৎসারিত নয়, নয় লোক-দেখানো ভ-ামি। এ একান্তই তাঁর স্থির বিশ্বাস। নজরুল নিজের জীবৎকালে এই মিলন দেখে যেতে পারেননি। তাঁর মৃত্যুর পর ইতোমধ্যে ৪০ বছর পেরিয়ে গেলেও উপমহাদেশ জুরে যে বাস্তবতা সেখানে কবির এই আকাক্সক্ষা কবে স্বপ্ন-কল্পনার জগৎ পেরিয়ে বাস্তব হয়ে উঠবে তা আমরা জানি না। কিন্তু প্রতিটি সুস্থ ও বিবেকবোধসম্পন্ন  মানুষের প্রাত্যহিক প্রার্থনা থাকা উচিৎ এটুকোই।
কবি তরুণ মুখপানে যে চলচ্ছবি প্রত্যক্ষ করেছেন তাকে বাস্তবায়িত করার জন্য তিনি সারা জীবনই তরুণ তথা যুবশক্তির উদ্বোধন কামনা করেছেন। তাই আজ সকলের কবির সাথে সংহতি জানানো উচিৎ এই বলে যে, ‘আমরা রচি ভালবাসার/ আশার ভবিষ্যৎ,/ মোদের স্বর্গ-পথের আভাস দেখায়/আকাশ-ছায়াপথ।/ মোদের চোখে বিশ্ববাসীর/ স্বপ্ন দেখা হোক সফল/ আমরা ছাত্রদল।।’ (ছাত্রদলের গান)
এই মহান কবিকে জন্মদিনের অভিবাদন।