Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকতে পারেননি ৯ জন – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকতে পারেননি ৯ জন

বিশেষ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের ২১ ইউনিয়নের দুইটিতে জামানত হারিয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীগণ। নয়টিতে তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে ছিলেন দলীয় প্রার্থীরা। দলের নেতারাই বলছেন, প্রার্থী মনোনয়নে ভুল হওয়ায় তৃণমূলে দলের প্রতীকের অসম্মান হয়েছে।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর, দিরাই ও বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ২১ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন রোববার অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত সাত, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ছয়, স্বতন্ত্রের মোড়কে বিএনপি তিন, জাপা এক এবং স্বতন্ত্র ৪ জন নির্বাচিত হয়েছেন। স্বতন্ত্র ৪ জনের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন না চাইলেও আওয়ামী লীগ ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ৩ জন।
লজ্জাজনক বিষয় হচ্ছে দলের মনোনীত দুই প্রার্থী বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের হেলাল উদ্দিন (প্রাপ্ত ভোট ৭৯৫) ও দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের মাহমুদ হাসান চৌধুরী (প্রাপ্ত ভোট ১২৭১) জামানত হারিয়েছেন। এই দুই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক হিসাবেই পরিচিত।
এছাড়া বিশ^ম্ভরপুরের পলাশ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নুরুল আলম (প্রাপ্ত ভোট ২৬৭৫) তৃতীয় অবস্থানে, বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়নে সংগঠনের মনোনীত প্রার্থী জামাল হোসেন (প্রাপ্ত ভোট ২৮২৯) চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সুন্দর উদ্দিন ১৫২১ ভোট এবং চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নে আব্দুল গফুর ২২২১ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন।
দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রঞ্জিত রায় ১০১৪ ভোট পেয়ে পঞ্চম, রাজানগরে শফিকুল হক তালুকদার ১৬৬২ ভোট পেয়ে চতুর্থ, কুলঞ্জ ইউনিয়নে মিলন মিয়া ১৭৮১ ভোট পেয়ে চতুর্থ, তাড়ল ইউনিয়নে মো. আহমদ চৌধুরী ২৭১১ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন।
জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট ভোটের ফলাফল নিয়ে বললেন, জেলা আওয়ামী লীগে অযোগ্য নেতৃত্ব থাকায় তৃণমূলে দলীয় প্রতীকের অসম্মান হয়েছে। আওয়ামী লীগের ভোট কমে নি, যারা বিজয়ী হয়েছে বেশিরভাগেই দলের সঙ্গে যুক্ত, বিদ্রোহী প্রার্থীদের অনেকে নিবেদিত ছিলেন, তাদের দলীয় মনোনয়ন দিতে ব্যর্থ হয়েছে জেলার নেতৃত্ব, দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের কাছে তারা জনপ্রিয়দের নাম উপযুক্তভাবে দিতে পারে নি, ফলাফলের পুরো দায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন বললেন,‘স্থানীয় নির্বাচনে পরিবার, গোষ্ঠী, অঞ্চল প্রীতি কাজ করে, চতুর্থ দফার ইউপি নির্বাচনে সুনামগঞ্জের ২১ ইউনিয়নের সাতটিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে এবং আরও নয়টিতে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারাই ভিন্ন প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই অবস্থায় দলের ভোট কমেছে বলা যাবে না। জেলা কমিটির পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডে পাঠানো তালিকায় পর্যায়ক্রমিকভাবে যাদের নাম এক বা দুই নম্বরে ছিল তারাও মনোনয়ন পেয়েছেন, আবার কোথাও কোথাও ছয় বা সাত নম্বরে যাদের নাম ছিল, তারাও মনোনয়ন পেয়েছেন, এই জন্য কোথাও কোথাও দলীয় মনোনীত প্রার্থীর জয় পাওয়া যায় নি।